ফেসবুকে বুলিং, অভিযুক্তদের অফিসে অভিযোগ তরুণীর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন রিমানা নামের এক তরুণী। তিনি দাবি করেছেন, ফেসবুকে তাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা কয়েকজনের কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাঠিয়েছেন। সম্প্রতি দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে রিমানা জানান, তার প্রোফাইলে এসে যারা ‘বুলি’ ও ব্যক্তিগত আক্রমণধর্মী মন্তব্য করেছেন, তাদের মধ্য থেকে ১০ জনকে বেছে নেন। কারও আইডি লক থাকলেও, কারও প্রোফাইল ছিল পাবলিক। এরপর তাদের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও লিংকডইন ঘেঁটে কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল খুঁজে বের করে স্ক্রিনশটসহ বিস্তারিত অভিযোগ পাঠান। কয়েকটি মেইলে একাধিক ব্যক্তিকেও সিসি করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। রিমানা দাবি করেন, এরই মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি জবাব পেয়েছেন। তার ভাষ্য, অভিযোগ করা ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত দুজনের চাকরি যেতে পারে। তাদের একজনের মন্তব্যকে তিনি ‘সরাসরি যৌন হয়রানি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “চাকরি যাক বা না যাক, তাদের অফিস বা ইন্সটিটিউট জানবে যে he/she is not

ফেসবুকে বুলিং, অভিযুক্তদের অফিসে অভিযোগ তরুণীর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন রিমানা নামের এক তরুণী। তিনি দাবি করেছেন, ফেসবুকে তাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা কয়েকজনের কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ পাঠিয়েছেন।

সম্প্রতি দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে রিমানা জানান, তার প্রোফাইলে এসে যারা ‘বুলি’ ও ব্যক্তিগত আক্রমণধর্মী মন্তব্য করেছেন, তাদের মধ্য থেকে ১০ জনকে বেছে নেন। কারও আইডি লক থাকলেও, কারও প্রোফাইল ছিল পাবলিক। এরপর তাদের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও লিংকডইন ঘেঁটে কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল খুঁজে বের করে স্ক্রিনশটসহ বিস্তারিত অভিযোগ পাঠান। কয়েকটি মেইলে একাধিক ব্যক্তিকেও সিসি করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

রিমানা দাবি করেন, এরই মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি জবাব পেয়েছেন। তার ভাষ্য, অভিযোগ করা ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত দুজনের চাকরি যেতে পারে। তাদের একজনের মন্তব্যকে তিনি ‘সরাসরি যৌন হয়রানি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “চাকরি যাক বা না যাক, তাদের অফিস বা ইন্সটিটিউট জানবে যে he/she is not a safe person। অন্তত জবাবদিহি করা হবে।”

তিনি আরও লেখেন, “কেউ আমাকে বুলি করলে বা একটা বাজে কথা বলে গেলে আমি সেটা মাথায় নিয়ে ঘুরব না। শুধু ফেসবুকে চিল্লিয়েই শেষ করব না। আমার জন্য আমি সবার আগে ভয়েস রেইজ করব। No more silence।”

সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে এটিকে নিজের ‘ফার্স্ট স্টেপ’ উল্লেখ করে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়ার কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনায় আইনি সহায়তা নেওয়ার সংস্কৃতি তৈরি হওয়া দরকার বলেও মন্তব্য করেন রিমানা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow