ফোনকলের পর বাসা ছাড়েন রিমন, রাস্তার পাশে মিলল গুলিবিদ্ধ লাশ
ঢাকা যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার দুইদিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে রিমন মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বিকেলে উপজেলার মরিচাকান্দি-উলুকান্দি এলাকার কলেজ রোডের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রিমন নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের নতুন থোল্লাকান্দি গ্রামের ফোরকান মিয়ার ছেলে। তিনি সপরিবারে নরসিংদীতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১০ মে) সকাল ১১টার দিকে রিমন ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। রিমনের স্ত্রী সুমী আক্তার জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার আগমুহূর্তে রিমনের মোবাইলে একটি ফোনকল আসে। সুমী তাকে যেতে নিষেধ করলেও জরুরি কাজ আছে বলে তিনি বেরিয়ে যান। সুমী আক্তার বলেন, সকালে শেষবার কথা হওয়ার সময় তিনি আমাকে নাস্তা করে বাসায় থাকতে বলেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন বিকেলের মধ্যে ফিরবেন। কিন্তু এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। আজ বিকেলে খবর পাই তাকে মেরে ফেলে রাখা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকেলে মরিচাকান্দি-উলুকান্দি সড়কের পাশে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পুল
ঢাকা যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার দুইদিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে রিমন মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বিকেলে উপজেলার মরিচাকান্দি-উলুকান্দি এলাকার কলেজ রোডের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত রিমন নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের নতুন থোল্লাকান্দি গ্রামের ফোরকান মিয়ার ছেলে। তিনি সপরিবারে নরসিংদীতে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১০ মে) সকাল ১১টার দিকে রিমন ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। রিমনের স্ত্রী সুমী আক্তার জানান, বাসা থেকে বের হওয়ার আগমুহূর্তে রিমনের মোবাইলে একটি ফোনকল আসে। সুমী তাকে যেতে নিষেধ করলেও জরুরি কাজ আছে বলে তিনি বেরিয়ে যান।
সুমী আক্তার বলেন, সকালে শেষবার কথা হওয়ার সময় তিনি আমাকে নাস্তা করে বাসায় থাকতে বলেছিলেন এবং জানিয়েছিলেন বিকেলের মধ্যে ফিরবেন। কিন্তু এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। আজ বিকেলে খবর পাই তাকে মেরে ফেলে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার বিকেলে মরিচাকান্দি-উলুকান্দি সড়কের পাশে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। নিহতের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ঘটনার পর পরই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ নিহতের গতিবিধি, কল রেকর্ড এবং সম্ভাব্য যাত্রাপথ বিশ্লেষণ করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালাচ্ছে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিন জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এর পেছনে সুনির্দিষ্ট কী কারণ রয়েছে এবং কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?