ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে মাঠকর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ

ঢাকার নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এসব ইউনিয়নে  ১২৬ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১৪ জন সুপাভাইজার নিয়োগে আওয়ামী লীগ কর্মীদের নিয়োগের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১২টায় ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম নিরবের নেতৃত্বে উপজেলা ফটকে এ বিক্ষোভ করা হয়।  ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম নিরব জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ওয়াদা পূরণে নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্তদের তথ্য সংগ্রহে মাঠকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের প্রাধান্য দিয়েছে। আমরা এই নিয়োগ বাতিল এবং পুনর্নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি।  এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা নিয়োগ কমিটির বিচার দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।  এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সবুজ আলীর মুঠোফোনে সংযোগ দিয়ে কথা বলা যায়নি। অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলরুবা ইসলাম বলেন, নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্র

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহে মাঠকর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ

ঢাকার নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। এসব ইউনিয়নে  ১২৬ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১৪ জন সুপাভাইজার নিয়োগে আওয়ামী লীগ কর্মীদের নিয়োগের অভিযোগ তুলেছেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।

বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১২টায় ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম নিরবের নেতৃত্বে উপজেলা ফটকে এ বিক্ষোভ করা হয়। 

ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম নিরব জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ওয়াদা পূরণে নবাবগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড প্রাপ্তদের তথ্য সংগ্রহে মাঠকর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়ায় অনিয়ম করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের প্রাধান্য দিয়েছে। আমরা এই নিয়োগ বাতিল এবং পুনর্নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। 

এ সময় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা নিয়োগ কমিটির বিচার দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। 

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. সবুজ আলীর মুঠোফোনে সংযোগ দিয়ে কথা বলা যায়নি।

অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলরুবা ইসলাম বলেন, নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তা ছাড়া নিয়োগের আগে যাচাই-বাছাই করা হয়েছিল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow