বগুড়ার মোকামতলায় ৩ নতুন ইউনিয়ন, পৌরসভা গঠন চূড়ান্ত পর্যায়ে

বগুড়ার নবগঠিত মোকামতলা উপজেলায় প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে স্বর্ণগ্রাম, সীমান্ত ও দীগন্ত নামে তিনটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। একই সঙ্গে মোকামতলা ইউনিয়নকে বিভক্ত করে মোকামতলা পৌরসভা গঠনের প্রক্রিয়াও এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জানা গেছে। জানা গেছে, পৌরসভার চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে নবগঠিত মোকামতলা উপজেলাটি মোট ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিচালিত হবে। সরকারি গেজেট অনুযায়ী, উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন ভেঙে ‘স্বর্ণগ্রাম’ ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে। ১৭টি মৌজা নিয়ে গঠিত এ ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৮ হাজার ৯৩৪ জন। মৌজাগুলো হলো—পলাশী, হাটগাড়ী, গোকর্ন, চন্দ্রহাটা, কচুয়া, গাথিলা গোপালপুর, ধাওয়াকান্দি, উত্তর কৃষ্টপুর, ছোবাহানপুর, কালুগাড়ী, ময়দানহাট্টা, দাড়িদহ, নিয়ামতপুর, বাগলপুর, চকবাগলপুর, খোর্দ্দ শোকড়া ও বুজরুক শোকড়া। সৈয়দপুর ইউনিয়ন ভেঙে গঠন করা হয়েছে ‘সীমান্ত’ ইউনিয়ন। ১১টি মৌজা নিয়ে গঠিত এ ইউনিয়নের জনসংখ্যা ১৬ হাজার ২৬৭ জন। মৌজাগুলো হলো— মানকৈর, ভবানীপুর, অভিরামপুর, খেরুয়াপাড়া, কিশোরীপ

বগুড়ার মোকামতলায় ৩ নতুন ইউনিয়ন, পৌরসভা গঠন চূড়ান্ত পর্যায়ে

বগুড়ার নবগঠিত মোকামতলা উপজেলায় প্রশাসনিক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে স্বর্ণগ্রাম, সীমান্ত ও দীগন্ত নামে তিনটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। একই সঙ্গে মোকামতলা ইউনিয়নকে বিভক্ত করে মোকামতলা পৌরসভা গঠনের প্রক্রিয়াও এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জানা গেছে।

জানা গেছে, পৌরসভার চূড়ান্ত অনুমোদন মিললে নবগঠিত মোকামতলা উপজেলাটি মোট ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিচালিত হবে। সরকারি গেজেট অনুযায়ী, উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন ভেঙে ‘স্বর্ণগ্রাম’ ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে। ১৭টি মৌজা নিয়ে গঠিত এ ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৮ হাজার ৯৩৪ জন।

মৌজাগুলো হলো—পলাশী, হাটগাড়ী, গোকর্ন, চন্দ্রহাটা, কচুয়া, গাথিলা গোপালপুর, ধাওয়াকান্দি, উত্তর কৃষ্টপুর, ছোবাহানপুর, কালুগাড়ী, ময়দানহাট্টা, দাড়িদহ, নিয়ামতপুর, বাগলপুর, চকবাগলপুর, খোর্দ্দ শোকড়া ও বুজরুক শোকড়া।

সৈয়দপুর ইউনিয়ন ভেঙে গঠন করা হয়েছে ‘সীমান্ত’ ইউনিয়ন। ১১টি মৌজা নিয়ে গঠিত এ ইউনিয়নের জনসংখ্যা ১৬ হাজার ২৬৭ জন। মৌজাগুলো হলো— মানকৈর, ভবানীপুর, অভিরামপুর, খেরুয়াপাড়া, কিশোরীপুর, জগন্নাথপুর, আমঝুপি, জীবনপুর, কুকি কালিদাস ও কুকি জগন্নাথপুর। এছাড়া দেউলী ইউনিয়ন ভেঙে গঠিত হয়েছে ‘দীগন্ত’ ইউনিয়ন। ভরিয়া (ভৈরা), মেঘাখর্দ্দ, আলমপুর, রহবল, সাওয়ালদহ, কৃষ্ণপুর, তালিবপুর ও বোয়ালমারী—এই ৮টি মৌজা নিয়ে গঠিত দীগন্ত ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ১৭ হাজার ৭৫৯ জন।

গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, নবগঠিত তিনটি ইউনিয়ন, প্রস্তাবিত মোকামতলা পৌরসভা এবং শিবগঞ্জ পৌরসভার বর্ধিত অংশ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট মৌজাগুলো নিয়ে ওই এলাকার অপর পাঁচটি ইউনিয়ন পুনর্গঠন করা হয়েছে।

এছাড়া ১২টি মৌজা নিয়ে পুনর্গঠন করা হয়েছে ময়দানহাট্টা ইউনিয়ন পরিষদ। এর জনসংখ্যা ১৪ হাজার ৭৬৭ জন। মৌজাগুলো হলো— চান্দার, বাদে গাংনই, বাদে চাটনগর, বাকসন, মোস্তফাপুর, পঁওতা, মুখুরজান, মহাব্বত নন্দীপুর, কুপা, মহাবালা, মিরাপুর ও দোগাছি। লক্ষীকোলা, দেউলী, পাকুরিয়া, বিষ্ণুপুর, পোড়ানগরী, দুর্লভপুর, রামচন্দ্রপুর ও বাসিলা—এই ৮টি মৌজা নিয়ে পুনর্গঠিত দেউলী ইউনিয়নের বর্তমান জনসংখ্যা ১৪ হাজার ৩৬০ জন।

সৈয়দপুর ইউনিয়ন ১৪টি মৌজা নিয়ে পুনর্গঠন করা হয়েছে, যার জনসংখ্যা ১৭ হাজার ৪৭৪ জন। মৌজাগুলো হলো— মির্জাপুর, গণকপাড়া, গাংনগর মাঝপাড়া, বারইপাড়া, দহপাড়া, রাধাকান্তপুর, গুপিবল্লভপুর, বড়িয়া, বৈকুণ্ঠপুর, কুকিবাজিত, মথুরা, হাবিবপুর, ইসলামপুর ও পূর্ব সৈয়দপুর।

১২টি মৌজা নিয়ে পুনর্গঠিত মোকামতলা ইউনিয়নের জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৪ জন। মৌজাগুলো হলো— মাঝপাড়া, আলোকদিয়ার, আমজানি, খামারপাড়া, আরজি পার আঁচলাই, পার আঁচলাই, বাদিয়াচরা, অনন্তপুর, হরিরামপুর, খালিমপুর, চাঁনপুর ও গণেশপুর।

এ ছাড়া শিবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ মেদেনীপাড়া, ধাওয়াগীর, জুড়ি, মাঝপাড়া, গুজিয়া, তেলীপাড়া, উত্তর শ্যামপুর, এনায়েতপুর, ছোলেমান, দেবীপুর, সাদুল্যাপুর, হুদাবালা ও আলাদীপুর—এই ১৩টি মৌজা নিয়ে পুনর্গঠিত হয়েছে। এই ইউনিয়নের বর্তমান জনসংখ্যা ২৬ হাজার ৩০৪ জন।

এল.বি/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow