বডিগার্ড রেখেও বাঁচতে পারলেন না আ.লীগ নেতা
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মৃত্যু হয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রবাসী নেতা আবু নাছেরের (৫০)। মূলত আগে থেকেই হামলার আশঙ্কা থাকায় তিনি নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস বসান এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বডিগার্ডও নিয়োগ দেন। যদিও শেষ পর্যন্ত এসব সতর্কতাও তার প্রাণ রক্ষা করতে পারেনি। গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে জোহানসবার্গের কাছাকাছি সোয়েটো এলাকায় নিজ দোকানের সামনে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনাটি সাধারণ ছিনতাই নয়; বরং একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের ধারণা, ভাড়াটে খুনির মাধ্যমে হামলাটি পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় প্রবাসীদের তথ্য অনুযায়ী, এদিন আবু নাছেরের ওপর একাধিক রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। যা প্রায় ছয় থেকে সাতটি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক বিরোধকে এই হত্যার প্রাথমিক কারণ হিসেবে দেখছেন স্বজনরা। বিশেষ করে নোয়াখালীর আরেক ব্যবসায়ীর সঙ্গে অংশীদারিত্ব নিয়ে বিরোধের পর থেকেই পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হতে শুরু করে। নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান জানিয়
দক্ষিণ আফ্রিকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মৃত্যু হয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রবাসী নেতা আবু নাছেরের (৫০)। মূলত আগে থেকেই হামলার আশঙ্কা থাকায় তিনি নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস বসান এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বডিগার্ডও নিয়োগ দেন। যদিও শেষ পর্যন্ত এসব সতর্কতাও তার প্রাণ রক্ষা করতে পারেনি।
গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে জোহানসবার্গের কাছাকাছি সোয়েটো এলাকায় নিজ দোকানের সামনে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনাটি সাধারণ ছিনতাই নয়; বরং একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাদের ধারণা, ভাড়াটে খুনির মাধ্যমে হামলাটি পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয় প্রবাসীদের তথ্য অনুযায়ী, এদিন আবু নাছেরের ওপর একাধিক রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। যা প্রায় ছয় থেকে সাতটি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক বিরোধকে এই হত্যার প্রাথমিক কারণ হিসেবে দেখছেন স্বজনরা। বিশেষ করে নোয়াখালীর আরেক ব্যবসায়ীর সঙ্গে অংশীদারিত্ব নিয়ে বিরোধের পর থেকেই পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হতে শুরু করে।
নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান জানিয়েছেন, তার বাবা ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান এবং সেখানেই ব্যবসা গড়ে তোলেন। সম্প্রতি একটি বড় দোকানকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত, পরে যা মারাত্মক আঁকার ধারণ করে।
তিনি আরও বলেন, সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা থেকেই তার বাবা বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছিলেন, যদিও এতেও শেষ রক্ষা হয়নি।
উল্লেখ্য, নিহত আবু নাছের নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের বাদামতলী এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। এছাড়া তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় একটি শপিংমলসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।
পরিবারের দাবি, ঘটনার পেছনে সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে এবং তারা এ নৃশংস হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
What's Your Reaction?