বন্যাদুর্গত ও পানিবন্দিদের জরুরি খাদ্য সহায়তা দিলো গুলশান সোসাইটি
অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলের পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে গুলশান সোসাইটি। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সোসাইটির নিজস্ব উদ্যোগে বন্যাদুর্গত এলাকার চরম সংকটে থাকা মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। খাবার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, মহাসচিব মজিবুর রহমান মৃধা এবং সোসাইটির অন্যান্য সদস্যরা। আরও পড়ুন গুলশানকে আন্তর্জাতিক মানের বাসযোগ্য এলাকায় রূপান্তরের অঙ্গীকার খাবার বিতরণ কর্মসূচি চলাকালে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, বন্যার কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই সংকটের মুহূর্তে অভুক্ত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব। গুলশান সোসাইটি সবসময় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। ছবি: জাগো নিউজ তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পানিবন্দি মানুষের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জরুরি খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি
অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় প্লাবিত ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলের পানিবন্দি ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে গুলশান সোসাইটি।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সোসাইটির নিজস্ব উদ্যোগে বন্যাদুর্গত এলাকার চরম সংকটে থাকা মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
খাবার বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত, মহাসচিব মজিবুর রহমান মৃধা এবং সোসাইটির অন্যান্য সদস্যরা।
খাবার বিতরণ কর্মসূচি চলাকালে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, বন্যার কারণে বিপুলসংখ্যক মানুষ বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই সংকটের মুহূর্তে অভুক্ত ও পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব। গুলশান সোসাইটি সবসময় সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
ছবি: জাগো নিউজ
তিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পানিবন্দি মানুষের এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জরুরি খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি তাদের এই কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে। সমাজের অন্যান্য সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও সংগঠনকেও এই দুর্যোগে বন্যার্তদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।

গুলশান সোসাইটির ‘নাইট বাজার’ উদ্বোধন
সোসাইটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত এবং আক্রান্ত মানুষ স্বাভাবিক জীবনে না ফেরা পর্যন্ত তাদের এই ধরনের মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে অব্যাহত থাকবে।
এমএমএ/এমএমকে
What's Your Reaction?
