বন্যায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রামে এবার ব্যাংকে ডাকাতির গুজব
বন্যা ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রামে এবার ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাংকে ডাকাতির গুজব। নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ওয়ান ব্যাংকের একটি শাখায় শুক্রবার রাত প্রায় ১১টার দিকে জরুরি (ইমার্জেন্সি) সাইরেন বেজে উঠলে মুহূর্তেই এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেই খবর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে অনেকেই ব্যাংকে ডাকাতি হয়েছে বলে দাবি করতে থাকেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ সাইরেনের শব্দ শুনে স্থানীয়দের অনেকেই ধারণা করেন ব্যাংকে ডাকাত দল প্রবেশ করেছে। বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে এমনিতেই নগরজুড়ে উদ্বেগ বিরাজ করছিল। সেই পরিস্থিতিতে সাইরেনের শব্দ আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ নিশ্চিত হয়, সেখানে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। বিষয়টির সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হলে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কালবেলাকে বলেন, ‘ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরো শহর জলাবদ্ধ হয়ে থাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে।
বন্যা ও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রামে এবার ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাংকে ডাকাতির গুজব। নগরীর আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ওয়ান ব্যাংকের একটি শাখায় শুক্রবার রাত প্রায় ১১টার দিকে জরুরি (ইমার্জেন্সি) সাইরেন বেজে উঠলে মুহূর্তেই এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সেই খবর ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে অনেকেই ব্যাংকে ডাকাতি হয়েছে বলে দাবি করতে থাকেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গভীর রাতে হঠাৎ সাইরেনের শব্দ শুনে স্থানীয়দের অনেকেই ধারণা করেন ব্যাংকে ডাকাত দল প্রবেশ করেছে। বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে এমনিতেই নগরজুড়ে উদ্বেগ বিরাজ করছিল। সেই পরিস্থিতিতে সাইরেনের শব্দ আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে দেয়।
খবর পেয়ে ডবলমুরিং থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে। পরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ নিশ্চিত হয়, সেখানে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।
বিষয়টির সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হলে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কালবেলাকে বলেন, ‘ডাকাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরো শহর জলাবদ্ধ হয়ে থাকায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। এমন অবস্থায় রাতে একটি ইমার্জেন্সি সাইরেনের আওয়াজ শুনে স্থানীয় লোকজন মনে করেন ব্যাংকে ডাকাতি হচ্ছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স পাঠাই। পরে নিশ্চিত হই, সেখানে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।’
এদিকে, ঘটনাটি যাচাইয়ের আগেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ব্যাংকে ডাকাতি’ শিরোনামে নানা পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। তবে পুলিশের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, এটি ছিল একটি ভুল বোঝাবুঝি; ব্যাংকে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি।
What's Your Reaction?