বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মা-মেয়ের মৃত্যু
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় একটি বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মা ও শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোর পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ঝাউপাড়া বিন্নাবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ওই এলাকার মোন্তার আলীর ছেলের স্ত্রী আতিয়া (২৩) এবং তার এক বছর বয়সী শিশুকন্যা রওজা। এ ঘটনায় মোন্তার আলীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম (মনেকা) গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে ঝাউপাড়া গ্রামে কৃষক মোন্তার আলীর বাড়িতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গুরুদাসপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন নেভানোর আগেই ঘরে আটকা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান আতিয়া ও তার শিশু সন্তান রওজা। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গুরুতর আহত অবস্থায় মর্জিনা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অগ্নিকাণ্ডে মোন্তার আলী ও তার ছেলে ম
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় একটি বসতবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মা ও শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোর পৌনে ৪টার দিকে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ঝাউপাড়া বিন্নাবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই এলাকার মোন্তার আলীর ছেলের স্ত্রী আতিয়া (২৩) এবং তার এক বছর বয়সী শিশুকন্যা রওজা। এ ঘটনায় মোন্তার আলীর স্ত্রী মর্জিনা বেগম (মনেকা) গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে ঝাউপাড়া গ্রামে কৃষক মোন্তার আলীর বাড়িতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে গুরুদাসপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে আগুন নেভানোর আগেই ঘরে আটকা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান আতিয়া ও তার শিশু সন্তান রওজা। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গুরুতর আহত অবস্থায় মর্জিনা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
অগ্নিকাণ্ডে মোন্তার আলী ও তার ছেলে মিন্টুর মোট ৪টি বসতঘর, আসবাবপত্র এবং পাশের একটি মুদি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এছাড়া ঘরে থাকা ১২টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডে ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আগুনের সূত্রপাত প্রসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
What's Your Reaction?