বাঁধ কেটে দিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা, ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় রাতের আঁধারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্মাণাধীন ফসলরক্ষা বাঁধ কেটে দিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। শনিবার (১০ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার উদগল হাওরের নিয়ামতপুর ও জয়পুরের মধ্যের বাঁধটি কেটে দেয়। এতে ছায়ার হাওরে পানি প্রবেশ করতে শুরু হয়েছে এবং কৃষকদের অবশিষ্ট ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চন্দ্র দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁধটি পুনরায় মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া বাঁধটি কেটে দেওয়া দুষ্কৃতিকারীদের সন্ধান ফেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাউবোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জয়পুর গ্রামের দক্ষিণ দিকে শনিবার দিবাগত রাতে উদগল হাওরের এই বাঁধটি কাটা হয়েছে। এতে উদগল হাওরের পানি ছায়ার হাওরে প্রবেশ করছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আশেপাশের গ্রামের লোকজনই হয়তো মাছ ধরার জন্য এমন কাজটি করেছে। তবে এই বাঁধের পানি প্রবেশ বন্ধ করা না হলে ফসলের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যাবে। শাল্লা থেকে যোগাযোগের মাধ্যম একমাত্র এই বাঁধ।
ছায়ার হাওরের কৃষক সবিনয় শীল জানান, এমনিতেই অতিবৃষ্টিতে আমাদের ফসল তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় রাতের আঁধারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্মাণাধীন ফসলরক্ষা বাঁধ কেটে দিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা। শনিবার (১০ মে) দিবাগত রাতে উপজেলার উদগল হাওরের নিয়ামতপুর ও জয়পুরের মধ্যের বাঁধটি কেটে দেয়। এতে ছায়ার হাওরে পানি প্রবেশ করতে শুরু হয়েছে এবং কৃষকদের অবশিষ্ট ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চন্দ্র দাস ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাঁধটি পুনরায় মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া বাঁধটি কেটে দেওয়া দুষ্কৃতিকারীদের সন্ধান ফেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাউবোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জয়পুর গ্রামের দক্ষিণ দিকে শনিবার দিবাগত রাতে উদগল হাওরের এই বাঁধটি কাটা হয়েছে। এতে উদগল হাওরের পানি ছায়ার হাওরে প্রবেশ করছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আশেপাশের গ্রামের লোকজনই হয়তো মাছ ধরার জন্য এমন কাজটি করেছে। তবে এই বাঁধের পানি প্রবেশ বন্ধ করা না হলে ফসলের পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থাও বন্ধ হয়ে যাবে। শাল্লা থেকে যোগাযোগের মাধ্যম একমাত্র এই বাঁধ।
ছায়ার হাওরের কৃষক সবিনয় শীল জানান, এমনিতেই অতিবৃষ্টিতে আমাদের ফসল তলিয়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন আবহাওয়া ভালো হওয়ায় পানি কমে উঁচু জায়গার জমি ভাসতে শুরু করেছে। কিছুটা হলেও ঘরে ফসল তোলা সম্ভব হবে। এরই মধ্যে আবার রাতের আধারে কে বা কারা হাওরের বাঁধ কেটে দিয়েছে। এই বাঁধে দিয়ে পানি প্রবেশ করে কৃষকদের যে অবশিষ্ট ফসলগুলো রয়েছে এগুলোও তলিয়ে যাবে।
পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী ওবায়দুল হক বলেন, রাতের আঁধারে কে বা কারা বাঁধটি কেটে দিয়েছে। খবর পেয়ে সকালে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং পুনরায় মেরামতের জন্য কাজ চলছে। আজকের মধ্যেই ভাঙা বন্ধ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, কেটে দেওয়া বাঁধটি মেরামতের কাজ চলছে। আশা করা যাচ্ছে আজকে মধ্যেই বাঁধ মেরামত হবে।