বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ‘একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
দেশের অন্যতম বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে “একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: উদীয়মান প্রবণতা, গবেষণা পদ্ধতি এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মাহবুবুল হক এবং ব্যবসায় ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. গাজী মো. আবু ঈসা নূর। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট বোনাভেঞ্চার ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেসের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মানসুরা নুসরাত। মূল প্রবন্ধে তিনি একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব, গবেষণা নকশা ও তথ্য বিশ্লেষণে আধুনিক এআই টুলের ব্যবহার, গবেষণার মানোন্নয়নে এআইয়ের সম্ভাবনা, নৈতিকতা, সীমাবদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবহ
দেশের অন্যতম বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে “একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: উদীয়মান প্রবণতা, গবেষণা পদ্ধতি এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ” শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (০৩ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার হলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন রেজিস্ট্রার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মাহবুবুল হক এবং ব্যবসায় ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. গাজী মো. আবু ঈসা নূর।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট বোনাভেঞ্চার ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেসের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মানসুরা নুসরাত।
মূল প্রবন্ধে তিনি একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব, গবেষণা নকশা ও তথ্য বিশ্লেষণে আধুনিক এআই টুলের ব্যবহার, গবেষণার মানোন্নয়নে এআইয়ের সম্ভাবনা, নৈতিকতা, সীমাবদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকে আরও গতিশীল, তথ্যনির্ভর ও কার্যকর করে তুললেও এর যথাযথ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আরও বলেন, এআই-নির্ভর কনটেন্ট তৈরি এবং স্বয়ংক্রিয় উত্তর প্রদানের প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে প্রচলিত শিক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নতুনভাবে পর্যালোচনা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এআই যেমন শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, তেমনি এর অপব্যবহার, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা, নৈতিকতা এবং একাডেমিক সততা রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জও সামনে নিয়ে এসেছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ শিক্ষার প্রতিটি স্তরে গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলছে। এটি আর ভবিষ্যতের কোনো ধারণা নয়; বরং শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে।’
তিনি জানান, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে আরও এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ইতোমধ্যে একটি আধুনিক এআই সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ গবেষণাগারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে এআইভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবনী প্রকল্প এবং একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. গাজী মো. আবু ঈসা নূর বলেন, ‘ব্যবসায় প্রশাসনসহ সব অনুষদের গবেষণায় এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া। শিক্ষার্থীদের এই নতুন ধারার সঙ্গে পরিচিত করতেই আমাদের এ আয়োজন।’ তিনি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক ও উপস্থিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে সেমিনারের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
What's Your Reaction?