বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: ১১ বছর পর প্রধান আসামির যাবজ্জীবন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় দীর্ঘ ১১ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এ মামলার প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন— ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের জালাল প্রামাণিকের ছেলে মমিন।  মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে উপজেলার ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার হন।  এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে রাণীশংকৈল থানায় মামলা করা হয়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ, চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার পর আদালত প্রধান আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। এর ভিত্তিত

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ: ১১ বছর পর প্রধান আসামির যাবজ্জীবন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় দীর্ঘ ১১ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এ মামলার প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একইসঙ্গে অপর এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন— ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের জালাল প্রামাণিকের ছেলে মমিন। 

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে উপজেলার ভাংবাড়ী বগুড়াপাড়া গ্রামের এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণের শিকার হন। 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে রাণীশংকৈল থানায় মামলা করা হয়। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ, চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার পর আদালত প্রধান আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। এর ভিত্তিতে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

অন্যদিকে, মামলার অপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় আদালত তাকে খালাস প্রদান করেন। রায়ের পর সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে এ ধরনের রায় সমাজে অপরাধ দমনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow