বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলা

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে একাধিক ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটিই সবচেয়ে তীব্র হামলাগুলোর একটি। হামলার সময় দূতাবাস এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়। হামলার প্রায় ছয় ঘণ্টা আগে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল। এতে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা তুলে ধরে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। সতর্কবার্তায় বলা হয়, ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বাগদাদের আন্তর্জাতিক এলাকায় একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। এই এলাকা ‘গ্রিন জোন’ নামে পরিচিত, যেখানে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা অবস্থিত। প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলার পর দূতাবাস ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবেই এ ধরনের হামলার ঘট

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও রকেট হামলা

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে একাধিক ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে।

ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে এটিই সবচেয়ে তীব্র হামলাগুলোর একটি। হামলার সময় দূতাবাস এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়।

হামলার প্রায় ছয় ঘণ্টা আগে দূতাবাস কর্তৃপক্ষ ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছিল। এতে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা তুলে ধরে অপ্রয়োজনীয় চলাচল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়, ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বাগদাদের আন্তর্জাতিক এলাকায় একাধিকবার হামলা চালিয়েছে। এই এলাকা ‘গ্রিন জোন’ নামে পরিচিত, যেখানে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা অবস্থিত।

প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে হামলার পর দূতাবাস ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবেই এ ধরনের হামলার ঘটনা বাড়ছে। বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েনের কারণে ইরাকেও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।

এর আগেও বাগদাদের এই কূটনৈতিক এলাকায় একাধিকবার রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে। সাধারণত এসব হামলার জন্য ইরানসমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন হামলার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow