বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সদ্য সাবেক সচিব মাহবুবুর রহমানের স্মরণে এক আবেগঘন স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা তার পেশাদারত্ব, সততা ও মানবিক গুণাবলির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন। বুধবার (২২ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর মাহবুবুর রহমান ছিলেন আমার প্রথম দিকের একজন ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, যার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণাদায়ক। মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে প্রচলিত একটি ধারণা আছে যে মন্ত্রী ও আমলাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকে। কিন্তু মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমি সবসময় আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি। তিনি কখনো নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেন না, বরং সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেন। তিনি আরও বলেন, মাহবুবুর রহমানের একটি বিশেষ গুণ ছিল—তিনি কখনো সহকর্মী বা অন্য কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করতেন না। সমালোচনা করা খুব সহজ, কিন্তু তিনি সেই পথে হাঁটেননি। এটি তার অসাধারণ ব্যক্তিত্বেরই বহিঃপ্রকাশ বলে যোগ করেন মন্ত্রী।

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সদ্য সাবেক সচিব মাহবুবুর রহমানের স্মরণে এক আবেগঘন স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা তার পেশাদারত্ব, সততা ও মানবিক গুণাবলির কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সচিবালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর মাহবুবুর রহমান ছিলেন আমার প্রথম দিকের একজন ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, যার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণাদায়ক।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে প্রচলিত একটি ধারণা আছে যে মন্ত্রী ও আমলাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকে। কিন্তু মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমি সবসময় আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি। তিনি কখনো নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেন না, বরং সবসময় দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতেন।

তিনি আরও বলেন, মাহবুবুর রহমানের একটি বিশেষ গুণ ছিল—তিনি কখনো সহকর্মী বা অন্য কোনো কর্মকর্তা সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করতেন না। সমালোচনা করা খুব সহজ, কিন্তু তিনি সেই পথে হাঁটেননি। এটি তার অসাধারণ ব্যক্তিত্বেরই বহিঃপ্রকাশ বলে যোগ করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী তার ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যেও মাহবুবুর রহমান সবসময় দায়িত্ব পালনে নিবেদিত ছিলেন। এমনকি রাত সাড়ে নয়টা পর্যন্ত কাজ করেও তিনি আমার সাথে বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মাঠে যেতে দ্বিধা করেননি। দেশের মানুষের স্বার্থে তাঁর এই নিষ্ঠা আমাদের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও মাহবুবুর রহমানের কর্মনিষ্ঠা, দক্ষতা ও মানবিক আচরণের কথা স্মরণ করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

স্মরণসভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব ) মো. আবদুর রহিম খান, চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন এ এইচ এম আহসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) আয়েশা আক্তার, সাবেক সচিব মাহবুবুর রহমানের সহধর্মিণী ফারহানা আলম এবং বড় ভাই লুৎফর রহমান স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য রাখেন।

গত ১৩ এপ্রিল রক্তের প্লাটিলেট কমে যাওয়ায় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে পরীক্ষা নিরিক্ষায় তার ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়। ১৭ এপ্রিল সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে তিনি মারা যান। 

মাহবুবুর রহমান বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কাস্টমস ও এক্সাইজ) ক্যাডারের ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব নেন।

এনএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow