বাসায় ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা, বাঁচাতে গিয়ে স্বামী-ছেলে আহত

নেত্রকোনা শহরের উত্তর কাটলী এলাকায় বাসায় ঢুকে এক নারীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ও ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনোয়ারা বেগমের (৫২) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিবেশী এরশাদ মিয়ার ছেলে আব্দুর রশিদ (৩২) কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মনোয়ারা বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এসময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে তার গলা কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। মনোয়ারার চিৎকার শুনে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান তার স্বামী আবুচান মিয়া (৬০) ও ছেলে মুন্না মিয়া (২৫)। এসময় হামলাকারীরা তাদেরও কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত দুজনকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মনোয়ারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত আব্দুর রশিদকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। নেত্রকোনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ

বাসায় ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা, বাঁচাতে গিয়ে স্বামী-ছেলে আহত

নেত্রকোনা শহরের উত্তর কাটলী এলাকায় বাসায় ঢুকে এক নারীকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ও ছেলে গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মনোয়ারা বেগমের (৫২) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিবেশী এরশাদ মিয়ার ছেলে আব্দুর রশিদ (৩২) কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মনোয়ারা বেগমের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এসময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে তার গলা কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

মনোয়ারার চিৎকার শুনে তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান তার স্বামী আবুচান মিয়া (৬০) ও ছেলে মুন্না মিয়া (২৫)। এসময় হামলাকারীরা তাদেরও কুপিয়ে আহত করেন।

পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত দুজনকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মনোয়ারা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত আব্দুর রশিদকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

নেত্রকোনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে।

এইচ এম কামাল/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow