বিএনপি ও এনসিপির সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় গুদারা ঘাটের সিডিউল জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপ ও এনসিপি সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, বক্তাবলী রাজাপুর গুদারাঘাটের সিডিউল জমা দিতে গেলে বিএনপির নজরুল গ্রুপ ও রশিদ মেম্বার গ্রুপ এনসিপি সমর্থিত আলিফ দেওয়ান গ্রুপকে বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা, পরে ধাক্কাধাক্কি এবং সংঘর্ষে রূপ নেয় পরিস্থিতি। প্রায় দুপুর দুইটা পর্যন্ত থেমে থেমে উত্তেজনা চলতে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১টার দিকে টেন্ডার ড্রপের সময় ধাক্কাধাক্কির মধ্যেই এনসিপির লোকজন সিডিউল জমা দেওয়ার চেষ্টা করেন, যা ঘিরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে এনসিপি সমর্থিত আলিফ দেওয়ান দেওয়ান অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে সিডিউল জমা দিতে গেলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ কারণে আমি আমার সিডিউল জমা দিতে পারিনি। তাদের হামলায় আমার একজন কর্মী তৌহিদ আহত হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের আরেক কর্মী তরিকুল ইসলাম সিডিউল জমা দিতে গেলে বিএনপির লোকজন তাদের
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় গুদারা ঘাটের সিডিউল জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপ ও এনসিপি সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, বক্তাবলী রাজাপুর গুদারাঘাটের সিডিউল জমা দিতে গেলে বিএনপির নজরুল গ্রুপ ও রশিদ মেম্বার গ্রুপ এনসিপি সমর্থিত আলিফ দেওয়ান গ্রুপকে বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা, পরে ধাক্কাধাক্কি এবং সংঘর্ষে রূপ নেয় পরিস্থিতি। প্রায় দুপুর দুইটা পর্যন্ত থেমে থেমে উত্তেজনা চলতে থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১টার দিকে টেন্ডার ড্রপের সময় ধাক্কাধাক্কির মধ্যেই এনসিপির লোকজন সিডিউল জমা দেওয়ার চেষ্টা করেন, যা ঘিরেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এ বিষয়ে এনসিপি সমর্থিত আলিফ দেওয়ান দেওয়ান অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ে সিডিউল জমা দিতে গেলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ কারণে আমি আমার সিডিউল জমা দিতে পারিনি। তাদের হামলায় আমার একজন কর্মী তৌহিদ আহত হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের আরেক কর্মী তরিকুল ইসলাম সিডিউল জমা দিতে গেলে বিএনপির লোকজন তাদেরকে বাধা দেয় এতে আরও চারজন আহত হয়। তবে, তরিকুল তাদের বাধার পরেও সিডিউল জমা দিতে পেরেছিল।’
এদিকে বিএনপিপন্থী রশিদ মেম্বারের সঙ্গে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে সংযোগ পাওয়া যায় নি।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন বলেন, সিডিউল জমা দেওয়া নিয়ে এক পক্ষ অপর পক্ষকে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ফতুল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, সদর উপজেলায় গরুর হাটের ইজারার সিডিউল জমা দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষ হয়েছে, তবে কেউ আটক হয়নি।