বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মহাসড়কের সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সরকারি অধিগ্রহণকৃত জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউনুস মোল্লা ও তার ছেলে ওসমান মোল্লার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ইউনুস মোল্লা উপজেলার চরযশোরদি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জয়বাংলা মোড়ে অবস্থিত মেসার্স মুন্সি ফিলিং স্টেশনের সামনে মহাসড়কের পাশের কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি দোকানঘর নির্মাণকাজ শুরু করেন ইউনুস মোল্লা। অভিযোগ রয়েছে, এসব জায়গা মহাসড়কের জন্য সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমির অন্তর্ভুক্ত। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট জমির বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো বৈধ দলিল বা মালিকানার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, মহাসড়কের সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের ফলে ভবিষ্যতে সড়ক সম্প্রসারণ ও যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুস মোল্লা বলেন, দখল শুধু আমি একা করিনি, আমার মতো আরও অনেকে করেছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি করি। যেহেতু এটি সরকারি জায়গা, সরকার চাইলে যখন খুশি নিয়ে যেতে পারে, এ

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মহাসড়কের সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সরকারি অধিগ্রহণকৃত জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ইউনুস মোল্লা ও তার ছেলে ওসমান মোল্লার বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত ইউনুস মোল্লা উপজেলার চরযশোরদি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জয়বাংলা মোড়ে অবস্থিত মেসার্স মুন্সি ফিলিং স্টেশনের সামনে মহাসড়কের পাশের কয়েকটি স্থানে সম্প্রতি দোকানঘর নির্মাণকাজ শুরু করেন ইউনুস মোল্লা। অভিযোগ রয়েছে, এসব জায়গা মহাসড়কের জন্য সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমির অন্তর্ভুক্ত। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মহাসড়কের সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট জমির বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি কোনো বৈধ দলিল বা মালিকানার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। স্থানীয়দের আশঙ্কা, মহাসড়কের সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণের ফলে ভবিষ্যতে সড়ক সম্প্রসারণ ও যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনুস মোল্লা বলেন, দখল শুধু আমি একা করিনি, আমার মতো আরও অনেকে করেছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি করি। যেহেতু এটি সরকারি জায়গা, সরকার চাইলে যখন খুশি নিয়ে যেতে পারে, এতে আমার আপত্তি নেই।

বিষয়টি নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফরোজা হক তানিয়া বলেন, খোঁজ-খবর নিয়ে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow