‘বিএনপি নেতার সঙ্গে মারামারি করা সেই নারী শিক্ষিকা নয়’

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে মারামারির ঘটনায় আলোচিত প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মারামারির ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই নারীকে শিক্ষক হিসেবে প্রচার করা হয়। তবে রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান বলছেন, আলেয়া খাতুন হীরা শিক্ষক না, তিনি আসলে এমপিও ডেমোস্ট্রেটর বা প্রদর্শক। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে দুর্গাপুরে উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পরিদর্শন শেষে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় মো. আছাদুজ্জামান কালবেলাকে জানান, তদন্তের স্বার্থে তাকে সমায়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দুর্গাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষক প্রতিনিধি পরিষদ আছে তারা বিষয়টি তদন্ত করে জানাবেন।  তিনি বলেন, অধ্যক্ষ এবং প্রদর্শক হীরার কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। মাউশির পরিচালক বলেন, প্রদর্শক আলিয়া খাতুন হীরা আসলে সরকারি কর্মকর্তা না। উনি শিক্ষক হবেন এমন সম্ভাবনাও কম। উনি আসলে এ

‘বিএনপি নেতার সঙ্গে মারামারি করা সেই নারী শিক্ষিকা নয়’

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে মারামারির ঘটনায় আলোচিত প্রদর্শক আলেয়া খাতুন হীরাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

মারামারির ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেই নারীকে শিক্ষক হিসেবে প্রচার করা হয়। তবে রাজশাহী অঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আছাদুজ্জামান বলছেন, আলেয়া খাতুন হীরা শিক্ষক না, তিনি আসলে এমপিও ডেমোস্ট্রেটর বা প্রদর্শক।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে দুর্গাপুরে উপজেলার দাওকান্দি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পরিদর্শন শেষে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় মো. আছাদুজ্জামান কালবেলাকে জানান, তদন্তের স্বার্থে তাকে সমায়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। দুর্গাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষক প্রতিনিধি পরিষদ আছে তারা বিষয়টি তদন্ত করে জানাবেন। 

তিনি বলেন, অধ্যক্ষ এবং প্রদর্শক হীরার কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে।

মাউশির পরিচালক বলেন, প্রদর্শক আলিয়া খাতুন হীরা আসলে সরকারি কর্মকর্তা না। উনি শিক্ষক হবেন এমন সম্ভাবনাও কম। উনি আসলে এমপিও ডেমোস্ট্রেটর বা প্রদর্শক।

এর আগে বৃহস্পতিবার, আলেয়া খাতুন হীরার সঙ্গে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার হাতাহাতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে পড়ে। সেটি নজরে আসার পর তদন্ত শুরু করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow