বিক্রি কমায় বড় লোকসানে সিঙ্গার বাংলাদেশ
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বড় লোকসান করেছে। একই সঙ্গে নগদ প্রবাহ ও সম্পদমূল্যেও বড় ধরনের অবনতি হয়েছে। কোম্পানিটির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৬০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান হয় ৩ টাকা ৫০ পয়সা লোকসান। একই সময়ে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২১ টাকা ৪২ পয়সা, যেখানে এক বছর আগে তা ছিল ইতিবাচক ৪ টাকা ৭৯ পয়সা। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) নেমে ঋণাত্মক ৩ টাকা ৯১ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২১ টাকা ৩১ পয়সা। কোম্পানির তথ্যমতে, প্রথম প্রান্তিকে বিক্রি থেকে আয় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়লেও প্রত্যাশার তুলনায় বিক্রি কম হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স বাজারের স্থবিরতা এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বড় লোকসান করেছে। একই সঙ্গে নগদ প্রবাহ ও সম্পদমূল্যেও বড় ধরনের অবনতি হয়েছে।
কোম্পানিটির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৬০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান হয় ৩ টাকা ৫০ পয়সা লোকসান।
একই সময়ে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ২১ টাকা ৪২ পয়সা, যেখানে এক বছর আগে তা ছিল ইতিবাচক ৪ টাকা ৭৯ পয়সা। ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) নেমে ঋণাত্মক ৩ টাকা ৯১ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ২১ টাকা ৩১ পয়সা।
কোম্পানির তথ্যমতে, প্রথম প্রান্তিকে বিক্রি থেকে আয় ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়লেও প্রত্যাশার তুলনায় বিক্রি কম হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স বাজারের স্থবিরতা এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে।
উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশীয় বাজারে বিক্রি কমেছে। এর সঙ্গে জাতীয় নির্বাচন ও দীর্ঘ ঈদের ছুটির প্রভাবেও পণ্যের চাহিদা হ্রাস পায়। যদিও মোট মুনাফার হার প্রায় স্থিতিশীল ছিল, তবে বিক্রয় ব্যয় বাড়ার চাপ পুরোপুরি ভোক্তাদের ওপর চাপানো যায়নি। ফলে ভাড়া, অবচয় ও বেতনসহ পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পরিচালন মুনাফা কমেছে ৮ দশমিক ১ শতাংশ।
এছাড়া নিট আর্থিক ব্যয় ৪১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। কার্যকরী মূলধন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে স্বল্পমেয়াদি ঋণ বাড়ায় সুদের ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোর বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে আন্তঃপ্রতিষ্ঠান ঋণে বৈদেশিক মুদ্রা ক্ষতির মুখে পড়েছে কোম্পানিটি।
বিক্রি প্রত্যাশার তুলনায় কম হওয়ায় পণ্যের মজুত ২৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে, যার ফলে স্বল্পমেয়াদি ঋণের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমি ঋণ নবায়ন, ধীর অর্থনৈতিক কার্যক্রম এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে পাওনা আদায় কমে যাওয়ায় ট্রেড রিসিভেবল ৩৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।
অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হওয়ার বিষয়ে কোম্পানিটি জানিয়েছে, হায়ার পারচেজ স্কিম, ডিলার ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধা দেওয়া এবং মৌসুমি প্রভাবের কারণে এমনটি হয়েছে। তবে দ্বিতীয় প্রান্তিক থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এমএএস/ইএ
What's Your Reaction?