বিছানায় পড়েছিল গৃহবধূর লাশ, হদিস নেই স্বামী-সন্তানের

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিজ ভাড়া বাসা থেকে এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকার সোহেলের বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।  নিহতের মরদেহ কম্বল গায়ে খাটের ওপর ঘুমিয়ে থাকার মতো পড়েছিল। রক্ত ঝড়ছিল নাক দিয়ে।  নিহত সাদিয়া আক্তার (২৩) পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার শিয়ালকাঠি দক্ষিণ আদর্শ গ্রামের ইউসুফ মোল্লার মেয়ে। তিনি আদমজী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। পুলিশ জানায়, গত ১ জুলাই সাদিয়া আক্তার ৬ বছরের এক কন্যাশিশু ও স্বামী পরিচয় দেওয়া এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে ওই বাসা ভাড়া নেন। ভাড়ার সময় নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিলেও স্বামীর পরিচয়পত্র পরে দেবেন বলে বাড়ির মালিককে জানান। সোমবার রাতে মরদেহটি কম্বল গায়ে খাটের ওপর ঘুমিয়ে থাকার মতো পড়েছিল। তার মুখের বাম পাশে রক্ত জমাট আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এছাড়া নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল।  পুলিশের ধারণা সোমবার ভোর থেকে রাতের মধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে।  এদিকে মরদেহ উদ্ধারের আগেই নিহতের স্বামী পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি ও শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। তাদের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয

বিছানায় পড়েছিল গৃহবধূর লাশ, হদিস নেই স্বামী-সন্তানের

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিজ ভাড়া বাসা থেকে এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় মিজমিজি বাতানপাড়া এলাকার সোহেলের বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। 

নিহতের মরদেহ কম্বল গায়ে খাটের ওপর ঘুমিয়ে থাকার মতো পড়েছিল। রক্ত ঝড়ছিল নাক দিয়ে। 

নিহত সাদিয়া আক্তার (২৩) পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার শিয়ালকাঠি দক্ষিণ আদর্শ গ্রামের ইউসুফ মোল্লার মেয়ে। তিনি আদমজী ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

পুলিশ জানায়, গত ১ জুলাই সাদিয়া আক্তার ৬ বছরের এক কন্যাশিশু ও স্বামী পরিচয় দেওয়া এক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে ওই বাসা ভাড়া নেন। ভাড়ার সময় নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিলেও স্বামীর পরিচয়পত্র পরে দেবেন বলে বাড়ির মালিককে জানান। সোমবার রাতে মরদেহটি কম্বল গায়ে খাটের ওপর ঘুমিয়ে থাকার মতো পড়েছিল। তার মুখের বাম পাশে রক্ত জমাট আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এছাড়া নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল। 

পুলিশের ধারণা সোমবার ভোর থেকে রাতের মধ্যে তার মৃত্যু হয়েছে। 

এদিকে মরদেহ উদ্ধারের আগেই নিহতের স্বামী পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি ও শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। তাদের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া গেছে। সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, নিহতের স্বামী-সন্তান নিখোঁজ থাকায় রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের সন্ধান পেতে পুলিশ কাজ করছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow