বিনা খরচে দেশে আনা হচ্ছে কারিনা কায়সারের মরদেহ

ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ আজ দেশে আসছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিনা খরচে তার মরদেহ দেশে আনার মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। কারিনার পারিবারিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পরিবার জানায়, প্রথমে অন্য একটি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা করা হলেও সেটি সম্ভব হয়নি। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এগিয়ে আসে। রোববার বিকেলে চেন্নাই থেকে ফ্লাইটে কারিনার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। দেশে আনার পর প্রথমে মরদেহ নেওয়া হবে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের বাসায়। পরে বনানী ডিওএইচএস মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, সোমবার মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় নানার বাড়িতে। সেখানেই দাফন করা হবে এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে। লিভারজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়। কারিনার বাবা জানান, হঠাৎ করেই তার রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্

বিনা খরচে দেশে আনা হচ্ছে কারিনা কায়সারের মরদেহ

ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া অভিনেত্রী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের মরদেহ আজ দেশে আসছে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বিনা খরচে তার মরদেহ দেশে আনার মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। কারিনার পারিবারিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

পরিবার জানায়, প্রথমে অন্য একটি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা করা হলেও সেটি সম্ভব হয়নি। পরে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এগিয়ে আসে। রোববার বিকেলে চেন্নাই থেকে ফ্লাইটে কারিনার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দেশে আনার পর প্রথমে মরদেহ নেওয়া হবে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের বাসায়। পরে বনানী ডিওএইচএস মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

কারিনার বাবা কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, সোমবার মরদেহ নেওয়া হবে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় নানার বাড়িতে। সেখানেই দাফন করা হবে এই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে।

লিভারজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে কারিনাকে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হয়। ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার গভীর রাতে তার মৃত্যু হয়।

কারিনার বাবা জানান, হঠাৎ করেই তার রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যায়। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও সেটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি।

এর আগে রাজধানীর একটি হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি সময় চিকিৎসাধীন ছিলেন কারিনা। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নেওয়া হয়।

চেন্নাই থেকে কারিনার মা লোপা কায়সার জানিয়েছিলেন, লিভার প্রতিস্থাপন বা বড় ধরনের অস্ত্রোপচার সহ্য করার মতো শারীরিক অবস্থায় ছিলেন না কারিনা। চিকিৎসকদের বরাতে তিনি বলেন, তার ফুসফুসে তরল ও কফ জমে সংক্রমণ তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা তাকে স্থিতিশীল করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচারের পর্যায়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

‘এ’ লেভেল শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার আগে একটি গণমাধ্যমের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করেছিলেন কারিনা। দেশে ফিরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। পরে অভিনয় ও চিত্রনাট্য রচনাতেও যুক্ত হন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ‘ইন্টার্নশিপ’ ও ‘৩৬-২৪-৩৬’।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow