বিয়ে-উৎসবে আলোকসজ্জা নয়
জ্বালানি সংকটের এই সময়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিয়ে বা কোনো উৎসবে আলোকসজ্জা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ব্যয় সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বৈঠক শেষে রাত ১২টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে চাপ কমাতে এবং সামগ্রিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সব অফিসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে করে কর্মঘণ্টা সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ তেল আমদানি নির্ভর হওয়ায় সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার ব্যয় কমাতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-সর
জ্বালানি সংকটের এই সময়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বিয়ে বা কোনো উৎসবে আলোকসজ্জা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ব্যয় সাশ্রয় এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
বৈঠক শেষে রাত ১২টার দিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে চাপ কমাতে এবং সামগ্রিক ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনতেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সব অফিসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এতে করে কর্মঘণ্টা সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ তেল আমদানি নির্ভর হওয়ায় সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ পড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে সরকার ব্যয় কমাতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-সরকারি নতুন যানবাহন, জলযান ও আকাশযান ক্রয় স্থগিত, কম্পিউটার সামগ্রী কেনা বন্ধ, অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ৫০ শতাংশ কমানো এবং সরকারি অর্থায়নে বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখা।
এছাড়া সভা-সেমিনার ব্যয় ৫০ শতাংশ এবং জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে ব্যয় ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ ব্যয়ও ৩০ শতাংশ হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে।
অন্যদিকে, সব ধরনের মার্কেট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি সেবাসমূহ এ সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবে।
এর আগে রাত পৌনে ৯টার দিকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষ হয় রাত সাড়ে ১১টায়।
কেএইচ/ইএ
What's Your Reaction?