বিশ্বকাপের মাঝেই অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদিনহো

শিরোনামটা দেখে হয়তো অনেকেই চমকে উঠবেন ভাবতেই পারেন, ২০১৫ সালে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় বলা রোনালদিনহো কি তবে আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরছেন! কিন্তু আসল ঘটনা তেমন নয়। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদিনহো অবসর ভেঙে ফিরেছেন ঠিকই, তবে তা বিশ্বকাপ বা শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে নয়—ইতালির ঘরোয়া ফুটবলের তৃতীয় স্তরের ক্লাব রাভেন্নার হয়ে। ক্লাবটির সভাপতি ইনাৎসিও চিপরিয়ানি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ইতালির শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ট জানায়, ৪৬ বছর বয়সী এই সাবেক তারকা সিরি ‘সি’ ক্লাব রাভেন্নার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি ক্লাবটির শেয়ারও কিনেছেন এবং এর উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করবেন। আগামী ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রোনালদিনহোর যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে রাভেন্না। ক্লাব সভাপতি ইনাৎসিও চিপরিয়ানি দীর্ঘদিন ধরেই তাকে দলে টানার চেষ্টা করছিলেন। নিজের প্রতিক্রিয়ায় রোনালদিনহো বলেন, “নতুন রং, কিন্তু একই হাসি। আমি আবারও বল নিয়ে নাচতে এবং চিপরিয়ানির পরিবারের সঙ্গে নতুন একটি গল্প লিখতে মুখিয়ে আছি। ফুটবল সবসময়ই আমার কাছে আনন্দের উৎস, আর সেই আনন্দটাই আমি রাভেন্নায় ফির

বিশ্বকাপের মাঝেই অবসর ভেঙে ফিরলেন রোনালদিনহো

শিরোনামটা দেখে হয়তো অনেকেই চমকে উঠবেন ভাবতেই পারেন, ২০১৫ সালে পেশাদার ফুটবলকে বিদায় বলা রোনালদিনহো কি তবে আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরছেন!

কিন্তু আসল ঘটনা তেমন নয়।

ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদিনহো অবসর ভেঙে ফিরেছেন ঠিকই, তবে তা বিশ্বকাপ বা শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে নয়—ইতালির ঘরোয়া ফুটবলের তৃতীয় স্তরের ক্লাব রাভেন্নার হয়ে। ক্লাবটির সভাপতি ইনাৎসিও চিপরিয়ানি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইতালির শীর্ষ ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ট জানায়, ৪৬ বছর বয়সী এই সাবেক তারকা সিরি ‘সি’ ক্লাব রাভেন্নার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। শুধু তাই নয়, তিনি ক্লাবটির শেয়ারও কিনেছেন এবং এর উন্নয়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ করবেন।

আগামী ২৩ জুন যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রোনালদিনহোর যোগদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে রাভেন্না। ক্লাব সভাপতি ইনাৎসিও চিপরিয়ানি দীর্ঘদিন ধরেই তাকে দলে টানার চেষ্টা করছিলেন।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় রোনালদিনহো বলেন, “নতুন রং, কিন্তু একই হাসি। আমি আবারও বল নিয়ে নাচতে এবং চিপরিয়ানির পরিবারের সঙ্গে নতুন একটি গল্প লিখতে মুখিয়ে আছি। ফুটবল সবসময়ই আমার কাছে আনন্দের উৎস, আর সেই আনন্দটাই আমি রাভেন্নায় ফিরিয়ে আনতে চাই।”

রোনালদিনহোকে দেখা যাবে নির্দিষ্ট কিছু প্রদর্শনী ম্যাচে, পাশাপাশি ক্লাবের প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি যুক্ত থাকবেন।

২০০২ সালে ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপ জয়, ২০০৫ সালে ব্যালন ডি’অর অর্জন এবং ২০০৬ সালে বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা—সব মিলিয়ে রোনালদিনহো ফুটবলের এক উজ্জ্বল অধ্যায়।

২০১৫ সালে পেশাদার ফুটবল থেকে বিদায়ের প্রায় এক যুগ পর তার এই প্রত্যাবর্তন নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow