বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রতিশ্রুত ১০ লাখ ডলার না দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষোভ
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের পরও প্রতিশ্রুত অর্থ না পাওয়ায় ফিফার বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি স্বাগতিক শহরের মধ্যে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় প্রতিটি শহরকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও সেই অর্থ পরিশোধ করেনি ফিফা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ঘোষণা দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি স্বাগতিক শহরকে \'লিগ্যাসি কন্ট্রিবিউশন\' হিসেবে ১০ লাখ ডলার দেওয়া হবে। এই অর্থ স্থানীয়ভাবে ছোট ফুটবল মাঠ (মিনি-পিচ) নির্মাণ এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ব্যয় করার কথা ছিল। বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহর হলো- সিয়াটল, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস, ডালাস, হিউস্টন, কানসাস সিটি, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া, নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি, মিয়ামি এবং বোস্টন। স্বাগতিক শহরগুলোর আয়োজক কমিটির চারজন নির্বাহী নিশ্চিত করেছেন, প্রতিশ্রুত অর্থ এখনো তাদের কাছে পৌঁছায়নি। কয়েকটি শহর এ বিষয়ে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব পায়নি বলে জানা গেছে। এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রত্যক্ষ ও পরো
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের পরও প্রতিশ্রুত অর্থ না পাওয়ায় ফিফার বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি স্বাগতিক শহরের মধ্যে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিশ্বকাপ আয়োজনের সময় প্রতিটি শহরকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনও সেই অর্থ পরিশোধ করেনি ফিফা।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ঘোষণা দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি স্বাগতিক শহরকে 'লিগ্যাসি কন্ট্রিবিউশন' হিসেবে ১০ লাখ ডলার দেওয়া হবে। এই অর্থ স্থানীয়ভাবে ছোট ফুটবল মাঠ (মিনি-পিচ) নির্মাণ এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ব্যয় করার কথা ছিল।
বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন করা যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহর হলো- সিয়াটল, সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেস, ডালাস, হিউস্টন, কানসাস সিটি, আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া, নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি, মিয়ামি এবং বোস্টন।
স্বাগতিক শহরগুলোর আয়োজক কমিটির চারজন নির্বাহী নিশ্চিত করেছেন, প্রতিশ্রুত অর্থ এখনো তাদের কাছে পৌঁছায়নি। কয়েকটি শহর এ বিষয়ে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব পায়নি বলে জানা গেছে।
এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ব্যয়ের বড় একটি অংশ বহন করেছে যুক্তরাষ্ট্রের করদাতারা। অন্যদিকে টিকিট বিক্রি, সম্প্রচার স্বত্ব, স্পন্সরশিপ, কনসেশন এবং পার্কিং থেকে আসা আয়ের বড় অংশই গেছে ফিফার কোষাগারে। ফলে প্রতিশ্রুত অর্থ না পাওয়ায় স্বাগতিক শহরগুলোর অসন্তোষ আরও বেড়েছে।
ফিফার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিশ্রুত অর্থ কবে পরিশোধ করা হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
আরআর/আইএইচএস/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?