বিশ্বকাপ বয়কটের কোনো পরিকল্পনা নেই ডাচদের

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে না নেদারল্যান্ডস। দেশটির ফুটবল ফেডারেশন কেএনভিবির (KNVB) চেয়ারম্যান ফ্রাঙ্ক পাউ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিতর্ক ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনার মধ্যেও আপাতত বিশ্বকাপ বয়কটের কোনো সিদ্ধান্ত নেই ডাচ ফুটবলের। এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে পাউ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও হুমকিমূলক অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। তার মতে, এসব বক্তব্য বৈশ্বিক কূটনৈতিক পরিবেশে নতুন সীমারেখা টেনে দিচ্ছে। তবে তা সত্ত্বেও ডাচ ফুটবল কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পথেই রয়েছে। কেএনভিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে এবং এ বিষয়ে নেদারল্যান্ডস সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় বজায় রাখছে। সংস্থাটির মহাসচিব গিজ দে ইয়ং স্পষ্ট করেছেন, ডাচ ফুটবল কর্তৃপক্ষ সবসময় সরকার, ফিফা ও উয়েফার নির্দেশনা অনুসরণ করে থাকে। নিরাপত্তা বা কূটনৈতিক কারণে কোনো অঞ্চলে খেলা বা ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হলে সে অনুযায়ী সিদ্ধ

বিশ্বকাপ বয়কটের কোনো পরিকল্পনা নেই ডাচদের

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে না নেদারল্যান্ডস। দেশটির ফুটবল ফেডারেশন কেএনভিবির (KNVB) চেয়ারম্যান ফ্রাঙ্ক পাউ জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিতর্ক ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনার মধ্যেও আপাতত বিশ্বকাপ বয়কটের কোনো সিদ্ধান্ত নেই ডাচ ফুটবলের।

এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে পাউ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য ও হুমকিমূলক অবস্থান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। তার মতে, এসব বক্তব্য বৈশ্বিক কূটনৈতিক পরিবেশে নতুন সীমারেখা টেনে দিচ্ছে। তবে তা সত্ত্বেও ডাচ ফুটবল কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পথেই রয়েছে।

কেএনভিবি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে এবং এ বিষয়ে নেদারল্যান্ডস সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় বজায় রাখছে। সংস্থাটির মহাসচিব গিজ দে ইয়ং স্পষ্ট করেছেন, ডাচ ফুটবল কর্তৃপক্ষ সবসময় সরকার, ফিফা ও উয়েফার নির্দেশনা অনুসরণ করে থাকে। নিরাপত্তা বা কূটনৈতিক কারণে কোনো অঞ্চলে খেলা বা ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হলে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত তাদের অগ্রাধিকার ফুটবলের মধ্য দিয়ে সংলাপ ও যোগাযোগ বজায় রাখা।

তবে এই অবস্থানের বিপরীতে নেদারল্যান্ডসে একটি বয়কট আন্দোলনও গড়ে উঠেছে। টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব টেউন ভান ডার কিউকেন একটি অনলাইন পিটিশন চালু করেছেন, যেখানে এখন পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষ স্বাক্ষর করেছে। পিটিশনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসননীতি ও সামরিক অবস্থানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ডাচ ফুটবল দলের বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়া উচিত। আন্দোলনকারীদের মতে, এমন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের নীতির প্রতি পরোক্ষ সমর্থনের শামিল হতে পারে।

আসন্ন বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের তিনটি গ্রুপ ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ডালাসে জাপানের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ, এরপর হিউস্টনে ইউরোপীয় প্লে-অফের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কানসাস সিটিতে, যেখানে প্রতিপক্ষ তিউনিসিয়া।

এর আগেও রাজনৈতিক কারণে বিশ্বকাপ বয়কটের দাবি উঠেছিল। ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনায় সামরিক শাসনের সময় বিশ্বকাপ বর্জনের আহ্বান ছিল, পাশাপাশি রাশিয়া ও কাতার বিশ্বকাপের আগেও বিতর্ক দেখা দেয়। নেদারল্যান্ডস আর্জেন্টিনা ও কাতার বিশ্বকাপে অংশ নিলেও রাশিয়া বিশ্বকাপে তারা যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow