বিশ্বকাপ শুরুর আগে শেষ মুহূর্তে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ফিফার
২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে শেষ মুহূর্তে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বিশ্বকাপের সব স্টেডিয়ামে দর্শকদের পুনঃব্যবহারযোগ্য (রিফিল) পানির বোতল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। এর আগে ফিফার অফিসিয়াল স্টেডিয়াম আচরণবিধিতে উল্লেখ ছিল যে, এক লিটার পর্যন্ত ধারণক্ষমতার খালি ও স্বচ্ছ প্লাস্টিকের পুনঃব্যবহারযোগ্য বোতল স্টেডিয়ামে আনা যাবে। তবে সম্প্রতি সেই নির্দেশিকা সংশোধন করে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে কোনো ধরনের পুনঃব্যবহারযোগ্য পানির বোতল স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন সমর্থকরা। ফিফার এক মুখপাত্র জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, বোতল মাঠে বা গ্যালারিতে ছুড়ে মারা হলে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা কিংবা দর্শকদের আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিবৃতিতে ফিফা বলেছে, খেলোয়াড়, রেফারি, সমর্থক, স্বেচ্ছাসেবক এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সম্ভাব্য ঝুঁকি ও দুর্ঘটনা এড়াতে বোতল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফিফা আরও জানিয়েছে, স্টেডিয়ামের ভেতরে দর্শকদের জন্য কুলিং ট
২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগে শেষ মুহূর্তে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বিশ্বকাপের সব স্টেডিয়ামে দর্শকদের পুনঃব্যবহারযোগ্য (রিফিল) পানির বোতল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
এর আগে ফিফার অফিসিয়াল স্টেডিয়াম আচরণবিধিতে উল্লেখ ছিল যে, এক লিটার পর্যন্ত ধারণক্ষমতার খালি ও স্বচ্ছ প্লাস্টিকের পুনঃব্যবহারযোগ্য বোতল স্টেডিয়ামে আনা যাবে। তবে সম্প্রতি সেই নির্দেশিকা সংশোধন করে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে কোনো ধরনের পুনঃব্যবহারযোগ্য পানির বোতল স্টেডিয়ামে নেওয়া যাবে না। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন সমর্থকরা।
ফিফার এক মুখপাত্র জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, বোতল মাঠে বা গ্যালারিতে ছুড়ে মারা হলে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা কিংবা দর্শকদের আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
বিবৃতিতে ফিফা বলেছে, খেলোয়াড়, রেফারি, সমর্থক, স্বেচ্ছাসেবক এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সম্ভাব্য ঝুঁকি ও দুর্ঘটনা এড়াতে বোতল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ফিফা আরও জানিয়েছে, স্টেডিয়ামের ভেতরে দর্শকদের জন্য কুলিং টেন্ট, মিস্টিং স্টেশন, ফ্যান জোন এবং পানির ব্যবস্থা রাখা হবে। এছাড়া বোতলজাত পানি বিক্রি করা হবে, যার মূল্য সংশ্লিষ্ট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত অন্যান্য বড় আয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকবে।
তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক স্বাস্থ্য ও আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ। কারণ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে যৌথভাবে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপের বেশ কয়েকটি ম্যাচ খোলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তীব্র গরমের আশঙ্কা রয়েছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড ওয়েদার এট্রিবিউশনের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে অন্তত ২৬টি ম্যাচ এমন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতে পারে যেখানে তাপজনিত শারীরিক চাপের মাত্রা ২৬ ডিগ্রির বেশি থাকবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার মধ্যে পর্যাপ্ত পানি পান না করলে দর্শকদের মধ্যে পানিশূন্যতা, হিট এক্সহসশন এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
উল্লেখ্য, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপেও দর্শকদের নিজস্ব পানির বোতল নিয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তখনও প্রচণ্ড গরম নিয়ে সমর্থকদের অভিযোগ ছিল।
এমএমআর
What's Your Reaction?