বিশ্বের সবচেয়ে দামি ৫ মোটরসাইকেল
মোটরসাইকেল সাধারণত যাতায়াতের একটি মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। তবে পৃথিবীতে এমন কিছু মোটরসাইকেল রয়েছে, যেগুলো শুধু বাহন নয়, বরং শিল্পকর্ম, প্রযুক্তির বিস্ময় এবং বিলাসিতার প্রতীক। বিরল নকশা, মূল্যবান ধাতু, সীমিত সংস্করণ এবং অসাধারণ প্রকৌশল দক্ষতার কারণে এসব মোটরসাইকেলের দাম পৌঁছে গেছে কোটি কোটি টাকায়। বিশ্ব মোটরসাইকেল দিবসে জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে দামি ৫ মোটরসাইকেল সম্পর্কে- ১. নেইমান মার্কাস লিমিটেড এডিশন ফাইটার বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোটরসাইকেলগুলোর তালিকায় প্রায়ই শীর্ষে থাকে এই বাইকটি। প্রথমে এর মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ডলার। তবে নিলামের মাধ্যমে দাম বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ডলারে। ভবিষ্যৎধর্মী নকশার এই মোটরসাইকেলটি দেখতে অনেকটা বিজ্ঞান কল্পকাহিনির কোনো যানবাহনের মতো। স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের বিশেষ কাঠামোতে তৈরি বাইকটি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। বিশ্বে এর সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত, যা এটিকে সংগ্রাহকদের কাছে আরও মূল্যবান করে তুলেছে। আরও পড়ুন বর্ষায় বাইকের কিছু অংশে জং ধরতে পারে, আপনার যা করণীয় ২. ১৯৪৯ ই৯০ এজেএস পর্কুপাইন মোটরসাইকেল ইতিহাসের অন্যতম
মোটরসাইকেল সাধারণত যাতায়াতের একটি মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। তবে পৃথিবীতে এমন কিছু মোটরসাইকেল রয়েছে, যেগুলো শুধু বাহন নয়, বরং শিল্পকর্ম, প্রযুক্তির বিস্ময় এবং বিলাসিতার প্রতীক। বিরল নকশা, মূল্যবান ধাতু, সীমিত সংস্করণ এবং অসাধারণ প্রকৌশল দক্ষতার কারণে এসব মোটরসাইকেলের দাম পৌঁছে গেছে কোটি কোটি টাকায়।
বিশ্ব মোটরসাইকেল দিবসে জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের সবচেয়ে দামি ৫ মোটরসাইকেল সম্পর্কে-
১. নেইমান মার্কাস লিমিটেড এডিশন ফাইটার
বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোটরসাইকেলগুলোর তালিকায় প্রায়ই শীর্ষে থাকে এই বাইকটি। প্রথমে এর মূল্য ধরা হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ডলার। তবে নিলামের মাধ্যমে দাম বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ডলারে।
ভবিষ্যৎধর্মী নকশার এই মোটরসাইকেলটি দেখতে অনেকটা বিজ্ঞান কল্পকাহিনির কোনো যানবাহনের মতো। স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের বিশেষ কাঠামোতে তৈরি বাইকটি ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ কিলোমিটার গতিতে ছুটতে পারে। বিশ্বে এর সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত, যা এটিকে সংগ্রাহকদের কাছে আরও মূল্যবান করে তুলেছে।
২. ১৯৪৯ ই৯০ এজেএস পর্কুপাইন
মোটরসাইকেল ইতিহাসের অন্যতম বিরল রেসিং বাইক এটি। ১৯৪৯ সালে তৈরি হওয়া এই মডেলের মাত্র কয়েকটি ইউনিট আজও টিকে আছে। এক নিলামে বাইকটি প্রায় ৭০ লাখ ডলারে বিক্রি হয়। ‘পর্কুপাইন’ নামটি এসেছে এর ইঞ্জিনের বিশেষ ফিনযুক্ত নকশা থেকে। এটি শুধু একটি মোটরসাইকেল নয়, বরং মোটরস্পোর্টস ইতিহাসের একটি মূল্যবান অংশ। সংগ্রাহকদের কাছে এটি যেন চলমান একটি জাদুঘর।
৩.স্কটল্যান্ড ইএস১ স্পিরিট
প্রযুক্তি ও গতির এক অনন্য সমন্বয় হলো এই মোটরসাইকেল। ফর্মুলা ওয়ান প্রকৌশলীদের সহায়তায় তৈরি হওয়া এই বাইকের দাম প্রায় ৩৬ লাখ ডলার। এর বিশেষত্ব হলো প্রচলিত মোটরসাইকেলের মতো এতে দৃশ্যমান ফ্রেম নেই। অত্যাধুনিক এরোডাইনামিক ডিজাইন ও হালকা ওজনের কারণে এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রকৌশলসম্পন্ন মোটরসাইকেলগুলোর একটি।
৪. ইয়ামাহা বিএমএস চপার
বিলাসিতা বলতে যদি সোনা ও আভিজাত্যের কথা বোঝায়, তাহলে এই বাইকটি তার নিখুঁত উদাহরণ। প্রায় ৩০ লাখ ডলার মূল্যের এই কাস্টম মোটরসাইকেলের বিভিন্ন অংশে ২৪ ক্যারেট সোনার প্রলেপ ব্যবহার করা হয়েছে। হাতে তৈরি এই চপার মোটরসাইকেলটি মূলত ধনী সংগ্রাহক এবং প্রদর্শনীর জন্য তৈরি। এর ঝকঝকে সোনালি নকশা একে বিশ্বের সবচেয়ে নজরকাড়া মোটরসাইকেলগুলোর একটি করে তুলেছে।
৫. হার্লি-ডেভিডসন কসমিক স্টারশিপ
শিল্প ও মোটরসাইকেলের এক অসাধারণ মিশেল এই বাইক। বিখ্যাত শিল্পী জ্যাক আর্মস্ট্রং এর হাতে আঁকা বিশেষ নকশার কারণে এর মূল্য প্রায় ১৫ লাখ ডলার। বাইকটির পুরো বডি রঙিন শিল্পকর্মে আবৃত, যা একে অন্য সব মোটরসাইকেল থেকে আলাদা করেছে। এটি মূলত একটি চলমান ক্যানভাস, যা শিল্পপ্রেমী ও সংগ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয়।
কেএসকে
What's Your Reaction?

