বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওরের ৩ হাজার হেক্টর ধানের জমি

কিশোরগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৯ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এই অতিবৃষ্টির কারণে তলিয়ে গেছে হাওরের ৩ হাজার হেক্টর বোরো ধানের ক্ষেত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক আখতার ফারুক এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলায় বৃষ্টিপাত ছিল মাত্র ২০ মিলিমিটার। আগামীকালও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার, ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার, ময়মনসিংহে ১১৫ মিলিমিটার, খেপুপাড়ায় ১১৪ মিলিমিটার, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ডে ১০৩ মিলিমিটার এবং নেত্রকোনায় ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে প্রায় সাড়ে ৯০০ হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে। ফলে বোরো ধান কাটতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা। বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে কেটে আনা ধান শুকাতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন তারা। এদিকে অতিবৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সবজির ক্

বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওরের ৩ হাজার হেক্টর ধানের জমি

কিশোরগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৯ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এই অতিবৃষ্টির কারণে তলিয়ে গেছে হাওরের ৩ হাজার হেক্টর বোরো ধানের ক্ষেত।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক আখতার ফারুক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলায় বৃষ্টিপাত ছিল মাত্র ২০ মিলিমিটার। আগামীকালও বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে হাওরের ৩ হাজার হেক্টর ধানের জমি

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার, ফেনীতে ১৪৮ মিলিমিটার, ময়মনসিংহে ১১৫ মিলিমিটার, খেপুপাড়ায় ১১৪ মিলিমিটার, কুমিল্লা ও সীতাকুণ্ডে ১০৩ মিলিমিটার এবং নেত্রকোনায় ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে প্রায় সাড়ে ৯০০ হেক্টর জমি তলিয়ে গেছে। ফলে বোরো ধান কাটতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা। বৃষ্টির কারণে মাঠ থেকে কেটে আনা ধান শুকাতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন তারা।

এদিকে অতিবৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সবজির ক্ষেতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমি ইতোমধ্যে পানির নিচে গেছে। দিনদিন তলিয়ে যাওয়া জমির পরিমাণ বাড়ছে।

এসকে রাসেল/এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow