বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৫ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, পরবর্তী শুনানি ১৭ আগস্ট

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি টাকার বেশি সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তরের (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির আদালতে সাক্ষ্য দেন। তবে আসামি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তার পক্ষে সাক্ষীকে জেরা করা সম্ভব হয়নি। পরে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৭ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আরও পড়ুন সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেফতার দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষীর তালিকা রয়েছে। অভিযোগ গঠনের পর এখন পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এর আগে গত ৩ মে একই আদালত অভিযোগ গঠন করে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলার নথি অনুযায়ী, দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২

বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৫ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, পরবর্তী শুনানি ১৭ আগস্ট

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি টাকার বেশি সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান মামলায় এ পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এদিন বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তরের (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির আদালতে সাক্ষ্য দেন। তবে আসামি বেনজীর আহমেদ পলাতক থাকায় তার পক্ষে সাক্ষীকে জেরা করা সম্ভব হয়নি। পরে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৭ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, মামলায় মোট ২৮ জন সাক্ষীর তালিকা রয়েছে। অভিযোগ গঠনের পর এখন পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে গত ৩ মে একই আদালত অভিযোগ গঠন করে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুদকের উপ-পরিচালক হাফিজুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়।

তদন্তে বলা হয়েছে, সম্পদ বিবরণীতে বেনজীর আহমেদ ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য দিয়েছিলেন। কিন্তু অনুসন্ধানে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।

দুদকের হিসাবে, তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি। বিপরীতে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা। ব্যয় সমন্বয়ের পর বৈধ নিট সঞ্চয় ছিল ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এসব অর্থের প্রকৃত উৎস ও মালিকানা গোপন রেখে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচারের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। 

এমডিএএ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow