বেসরকারি হাসপাতালে হাম রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বাধ্যতামূলক

দেশের সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের ভর্তি ও পৃথক চিকিৎসার জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বেসরকারি হাসপাতালে হামের রোগীকে ভর্তি না করার অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মঈনুল আহসানের সই করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, এখন থেকে সব বেসরকারি হাসপাতালে আবশ্যিকভাবে হামের রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করতে হবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন-২০২২ মেনে দরিদ্রদের জন্য সংরক্ষিত ১০ শতাংশ শয্যার অর্ধেক (অর্থাৎ মোট শয্যার ৫ শতাংশ) বাধ্যতামূলকভাবে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট রাখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে অন্তত ১২টি শয্যা এই রোগীদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে এবং বিষয়টি জরুরি বিভাগ ও অনুসন্ধান ডেস্ককে জানাতে হবে। এছাড়া ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক থাকতে পারবেন এবং রোগীর সার্বিক তথ্য প্রতিদিন এমআইএস সার্ভারে আপলোড করতে হবে। যে কোনো প্রয়

বেসরকারি হাসপাতালে হাম রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বাধ্যতামূলক

দেশের সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের ভর্তি ও পৃথক চিকিৎসার জন্য জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সাম্প্রতিক সময়ে কিছু বেসরকারি হাসপাতালে হামের রোগীকে ভর্তি না করার অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মঈনুল আহসানের সই করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, এখন থেকে সব বেসরকারি হাসপাতালে আবশ্যিকভাবে হামের রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টাল কলেজ আইন-২০২২ মেনে দরিদ্রদের জন্য সংরক্ষিত ১০ শতাংশ শয্যার অর্ধেক (অর্থাৎ মোট শয্যার ৫ শতাংশ) বাধ্যতামূলকভাবে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট রাখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ২৫০ শয্যার একটি হাসপাতালে অন্তত ১২টি শয্যা এই রোগীদের জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে এবং বিষয়টি জরুরি বিভাগ ও অনুসন্ধান ডেস্ককে জানাতে হবে।

এছাড়া ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক থাকতে পারবেন এবং রোগীর সার্বিক তথ্য প্রতিদিন এমআইএস সার্ভারে আপলোড করতে হবে। যে কোনো প্রয়োজনে একটি হটলাইন নম্বর (01759114488) চালু করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে এই চিকিৎসাকার্য পরিচালনার জন্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এসইউজে/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow