বেহাল সড়কে চরম ভোগান্তিতে ৫০ হাজার মানুষ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সড়ক যেন জন-ভোগান্তির প্রতিচ্ছবি। ব্রিজের সংযোগ সড়কের দুই অংশে ভেঙে বিশাল গর্তে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে পাত্রখাতা মিনাবাজার সড়কের আকালুরঘাট এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত চলাচল করছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। স্থানীয়রা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি তুলেছেন। এদিকে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর৷  জানা গেছে, উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজারের সঙ্গে জোড়গাছ ও উপজেলা হেড কোয়ার্টারের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য তিস্তার খালের উপর নতুন একটি ব্রীজ নির্মাণ করে এলজিইডি। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিভাগের তত্ত্বাবধানে যৌথভাবে কাজটি করে মের্সাস লুফা-জেডএইচডি (জেভি) দুটি প্রতিষ্ঠান। ৬৪ মিটার ব্রিজের সঙ্গে ধরা হয় এপ্রোচ (সংযোগ সড়ক) এইচবিবি।  স্থানীয়রা বলেন, এই স্থানে গাইড ওয়াল এবং পানি নামার জন্য ড্রেন করা হলে সড়কে ধস দেখা দিত না। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো না। ত্রিমুখী এই সড়কের দুটি স্থানে ধসের কারণে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষজন চালচল করলেও যান চালাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে।  স্থানীয় আশরাফুল

বেহাল সড়কে চরম ভোগান্তিতে ৫০ হাজার মানুষ

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সড়ক যেন জন-ভোগান্তির প্রতিচ্ছবি। ব্রিজের সংযোগ সড়কের দুই অংশে ভেঙে বিশাল গর্তে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা সদর থেকে পাত্রখাতা মিনাবাজার সড়কের আকালুরঘাট এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনিয়ত চলাচল করছেন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। স্থানীয়রা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি তুলেছেন। এদিকে দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তর৷ 

জানা গেছে, উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজারের সঙ্গে জোড়গাছ ও উপজেলা হেড কোয়ার্টারের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য তিস্তার খালের উপর নতুন একটি ব্রীজ নির্মাণ করে এলজিইডি। ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিভাগের তত্ত্বাবধানে যৌথভাবে কাজটি করে মের্সাস লুফা-জেডএইচডি (জেভি) দুটি প্রতিষ্ঠান। ৬৪ মিটার ব্রিজের সঙ্গে ধরা হয় এপ্রোচ (সংযোগ সড়ক) এইচবিবি। 

স্থানীয়রা বলেন, এই স্থানে গাইড ওয়াল এবং পানি নামার জন্য ড্রেন করা হলে সড়কে ধস দেখা দিত না। জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো না। ত্রিমুখী এই সড়কের দুটি স্থানে ধসের কারণে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষজন চালচল করলেও যান চালাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। 

স্থানীয় আশরাফুল ও রবিউলসহ অনেকে বলেন, এই সড়ক দিয়ে পাত্রখাতা, মিনাবাজার, মন্ডলেরহাট, কাশিমবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ উপজেলা সদরসহ জোড়গাছ ও থানাহাট বাজারে চলাচল করে।

তারা জানান, সড়ক ধসে যাওয়ায় গর্ত সৃষ্টি হয়ে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। দিন দিন ঝুঁকি বাড়ছে। 

অটোচালক রহিম জানান, জীবিকার তাগিদে এই সড়কে আমাদের অটো চালাতে হয়। ভাঙনের স্থানে এলে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে অটো তুলতে হয়। দীর্ঘদিন থেকে এভাবেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অটো চালাচ্ছি। 

চিলমারী উপজেলা প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, দ্রুত এর সমাধান করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow