বৈভবের তাণ্ডবে প্লে-অফের আরও কাছে রাজস্থান, সমীকরণ কঠিন হলো কেকেআরের

আরও একবার বৈভব সূর্যবংশীর তাণ্ডব দেখল আইপিএল। মঙ্গলবার (১৯ মে) প্লে-অফের লড়াইয়ের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একপ্রকার অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেই নিজের দলকে জয় উপহার দিলেন ১৫ বছরের কিশোর। মূলত বৈভবের ৯৩ রানের ইনিংসের সুবাদেই রাজস্থান রয়্যালস ৭ উইকেটে হারাল লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসকে। এই জয়ের ফলে প্লে-অফের আরও কাছে চলে এলো রাজস্থান। একই সঙ্গে রাস্তা কঠিন হয়ে গেল কেকেআরের। এদিন প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২২০ স্কোর তোলে এলএসজি। আইপিএলের প্রথম দিকে ওপেনিং জুটি সেভাবে পারফর্ম করতে পারছিল না তাদের। যার প্রভাব পড়ছিল দলের ব্যাটিংয়ে। জশ ইংলিশ আসার পর সেই সমস্যা অনেকটাই কেটেছে। মিচেল মার্শের সঙ্গে তার জুটিতে বেশ ভালো শুরু করছে এলএসজি। এদিনও যেমন পাওয়ার প্লে-তে কোনো উইকেট না হারিয়েই তারা তুলে ফেলে ৮৩। ওপেনিং জুটিতে আট ওভারেই ১০৫ উঠে যায়। দুরন্ত ব্যাটিং করেন ইংলিশ (২৯ বলে ৬০)। একটুর জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না মার্শ (৯৬)। তার ৫৭ বলের ইনিংস সাজানো ১১ চার এবং পাঁচ ছক্কায়। তবে নিকোলাস পুরান (১৬) এবং ঋষভ পন্থ (২৩ বলে ৩৫) রান তোলার গতি সেভাবে ধরে রাখতে পারেননি। ফলে যে রানটা হয়তো ২৪০ হতে পারত, সেটাই থেমে যায় ২২০-এ। জ

বৈভবের তাণ্ডবে প্লে-অফের আরও কাছে রাজস্থান, সমীকরণ কঠিন হলো কেকেআরের

আরও একবার বৈভব সূর্যবংশীর তাণ্ডব দেখল আইপিএল। মঙ্গলবার (১৯ মে) প্লে-অফের লড়াইয়ের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একপ্রকার অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেই নিজের দলকে জয় উপহার দিলেন ১৫ বছরের কিশোর। মূলত বৈভবের ৯৩ রানের ইনিংসের সুবাদেই রাজস্থান রয়্যালস ৭ উইকেটে হারাল লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টসকে। এই জয়ের ফলে প্লে-অফের আরও কাছে চলে এলো রাজস্থান। একই সঙ্গে রাস্তা কঠিন হয়ে গেল কেকেআরের।

এদিন প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ২২০ স্কোর তোলে এলএসজি। আইপিএলের প্রথম দিকে ওপেনিং জুটি সেভাবে পারফর্ম করতে পারছিল না তাদের। যার প্রভাব পড়ছিল দলের ব্যাটিংয়ে। জশ ইংলিশ আসার পর সেই সমস্যা অনেকটাই কেটেছে। মিচেল মার্শের সঙ্গে তার জুটিতে বেশ ভালো শুরু করছে এলএসজি। এদিনও যেমন পাওয়ার প্লে-তে কোনো উইকেট না হারিয়েই তারা তুলে ফেলে ৮৩। ওপেনিং জুটিতে আট ওভারেই ১০৫ উঠে যায়। দুরন্ত ব্যাটিং করেন ইংলিশ (২৯ বলে ৬০)। একটুর জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না মার্শ (৯৬)। তার ৫৭ বলের ইনিংস সাজানো ১১ চার এবং পাঁচ ছক্কায়। তবে নিকোলাস পুরান (১৬) এবং ঋষভ পন্থ (২৩ বলে ৩৫) রান তোলার গতি সেভাবে ধরে রাখতে পারেননি। ফলে যে রানটা হয়তো ২৪০ হতে পারত, সেটাই থেমে যায় ২২০-এ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা প্রত্যাশিতভাবেই বিধ্বংসী করে রাজস্থান রয়্যালস। প্রথম উইকেটের জুটিতে মাত্র সাড়ে ৬ ওভারে ৭৫ রান তুলে দেয় তারাও। এদিন অধিনায়কত্বের দায়িত্বে থাকা জয়সওয়াল ২৩ বলে করেন ৪৩ রান। তবে আসল কাজটা আরও একবার করে যায় ১৫ বছরের বৈভব। 

অন্যদিনের মতো এদিন শুরুটা অতটা মসৃণ হয়নি বৈভবের। কিন্তু পাওয়ার প্লে-র পর যেন অন্যরূপে দেখা গেল তাকে। শেষপর্যন্ত অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও ৩৮ বলে ৯৩ রানের ইনিংসে রাজস্থানের জয় প্রায় নিশ্চিত করে দেয় বৈভব। সেই সঙ্গে অনবদ্য রেকর্ডও গড়েছে সে। আইপিএলের এক মৌসুমে ৫০০ রানের বেশি করা ব্যাটারদের মধ্যে বৈভবের স্ট্রাইক রেটই সবচেয়ে বেশি। চলতি মৌসুমে তার স্ট্রাইক রেট ২৩৬-এরও বেশি। এর আগে ২০১৯ সালে আন্দ্রে  রাসেল ৫০০-র বেশি রান করেন ২০৪ স্ট্রাইক রেট রেখে। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। শেষে ধ্রুব জুড়েল করেন ৫৩ রান। 

এদিনের জয়ের ফলে ১৩ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে এলো রাজস্থান। বৈভবদের সামনে প্লে-অফের অঙ্কটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। নিজেদের শেষ ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারালেই প্লেঅফে চলে যাবে রাজস্থান।

সেক্ষেত্রে অন্য কোনো দলের দিকে তাকিয়েও থাকতে হবে না তাদের। বৈভবদের এদিনের জয় রাস্তা কঠিন করল কেকেআরের জন্যও। শেষ ম্যাচে রাজস্থান যদি মুম্বইয়ের কাছে না হারে, তাহলে নাইটদের আর কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। এদিকে এবারের আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফ দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে লক্ষ্নৌ সুপার জায়ান্টস। এখন মূলত অন্যের যাত্রাভঙ্গই মূল কাজ তাদের। এদিন সেটা করতে পারলে খানিকটা সুবিধা হতো নাইটদের।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow