বোরকায় পেঁচিয়ে গাঁজা পাচার, অতঃপর যা ঘটল
গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডের ট্রাফিক মোড় এলাকায় অভিনব কায়দায় বোরকায় পেঁচিয়ে গাঁজা পাচারের সময় একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত যানবাহন তল্লাশির অংশ হিসেবে শহরের ট্রাফিক মোড়ে একটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছিল। দুপুর ১২টার দিকে পুরাতন বাজারের দিক থেকে আসা একটি নীল রঙের ‘বাজাজ পালসার’ মোটরসাইকেল পুলিশের উপস্থিতি দেখে গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করে। সন্দেহভাজন মনে হওয়ায় পুলিশ সদস্যরা সেটিকে থামানোর সংকেত দেন। পুলিশের সংকেত পেয়ে চালক মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে দ্রুত জনাকীর্ণ এলাকায় পালিয়ে যান। পরে পুলিশ মোটরসাইকেলটি তল্লাশি চালায়। এ সময় সিটের নিচে বোরকায় পেঁচানো অবস্থায় এবং জ্বালানি ট্যাংকের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা গাঁজা উদ্ধার করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী মামুন মিয়া জানান, মাঝেমধ্যেই এভাবে মাদক উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়, তবে মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। জব্দকৃত মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট অনুযায়ী সেটির নিবন্ধন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এলাকার বলে জানা গেছ
গাইবান্ধা শহরের ডিবি রোডের ট্রাফিক মোড় এলাকায় অভিনব কায়দায় বোরকায় পেঁচিয়ে গাঁজা পাচারের সময় একটি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চালক পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত যানবাহন তল্লাশির অংশ হিসেবে শহরের ট্রাফিক মোড়ে একটি চেকপোস্ট বসানো হয়েছিল। দুপুর ১২টার দিকে পুরাতন বাজারের দিক থেকে আসা একটি নীল রঙের ‘বাজাজ পালসার’ মোটরসাইকেল পুলিশের উপস্থিতি দেখে গতিপথ পরিবর্তনের চেষ্টা করে। সন্দেহভাজন মনে হওয়ায় পুলিশ সদস্যরা সেটিকে থামানোর সংকেত দেন।
পুলিশের সংকেত পেয়ে চালক মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে দ্রুত জনাকীর্ণ এলাকায় পালিয়ে যান। পরে পুলিশ মোটরসাইকেলটি তল্লাশি চালায়। এ সময় সিটের নিচে বোরকায় পেঁচানো অবস্থায় এবং জ্বালানি ট্যাংকের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী মামুন মিয়া জানান, মাঝেমধ্যেই এভাবে মাদক উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়, তবে মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা জরুরি। জব্দকৃত মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট অনুযায়ী সেটির নিবন্ধন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ এলাকার বলে জানা গেছে।
ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আলতাফ হোসেন জানান, উদ্ধারকৃত গাঁজার পরিমাণ আনুমানিক ১০ কেজির বেশি। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক মাদক কারবারিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই অভিনব কায়দায় মাদক পাচারের ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
What's Your Reaction?