বোরো ক্ষেতে মাজরা পোকার হানা, কীটনাশক ব্যবহারেও মিলছে না সুফল

শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী উপজেলার চলতি বোরো মৌসুমে মাজরা পোকার ব্যাপক আক্রমণে ধানগাছে মরা শীষ দেখা দিয়েছে। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় জেলার কয়েক হাজার কৃষক চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার শেরী পাড়া, লছমনপুর, মোবারকপুর, রামকৃষ্ণপুর এবং শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনিয়া ও খড়িয়া কাজির চর ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে এই মরা শীষের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাওয়ায় তারা স্থানীয় বাজার থেকে বিভিন্ন সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন, কিন্তু তাতে কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সংকটের এই সময়ে কৃষি বিভাগের কোনো কর্মকর্তাকে মাঠে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও ভুক্তভোগী কৃষকরা দাবি করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, মাঠে কৃষি বিভাগের লোকজনকে না পেয়ে বাধ্য হয়েই স্থানীয় দোকানগুলো থেকে নানান রকমের কীটনাশক ছিটাচ্ছেন। তবে এতে কোনো কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাখওয়াত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এমন তথ্য পেয়ে কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন। যে পরিমাণ আক্রান্ত হয়েছে তাতে ফলনে তেমন ক্ষতি হবে না। তবে কৃষি বিভাগের লোকজন নিয়মিত

বোরো ক্ষেতে মাজরা পোকার হানা, কীটনাশক ব্যবহারেও মিলছে না সুফল

শেরপুর সদর ও শ্রীবরদী উপজেলার চলতি বোরো মৌসুমে মাজরা পোকার ব্যাপক আক্রমণে ধানগাছে মরা শীষ দেখা দিয়েছে। এতে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কায় জেলার কয়েক হাজার কৃষক চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সদর উপজেলার শেরী পাড়া, লছমনপুর, মোবারকপুর, রামকৃষ্ণপুর এবং শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনিয়া ও খড়িয়া কাজির চর ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে এই মরা শীষের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে।

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাওয়ায় তারা স্থানীয় বাজার থেকে বিভিন্ন সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন, কিন্তু তাতে কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। সংকটের এই সময়ে কৃষি বিভাগের কোনো কর্মকর্তাকে মাঠে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও ভুক্তভোগী কৃষকরা দাবি করেছেন।

বোরো ক্ষেতে মাজরা পোকার হানা, কীটনাশক ব্যবহারেও মিলছে না সুফল

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা জানান, মাঠে কৃষি বিভাগের লোকজনকে না পেয়ে বাধ্য হয়েই স্থানীয় দোকানগুলো থেকে নানান রকমের কীটনাশক ছিটাচ্ছেন। তবে এতে কোনো কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সাখওয়াত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, এমন তথ্য পেয়ে কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন। যে পরিমাণ আক্রান্ত হয়েছে তাতে ফলনে তেমন ক্ষতি হবে না। তবে কৃষি বিভাগের লোকজন নিয়মিত মাঠে রয়েছেন, সবার অভিযোগ সঠিক নয়।

তিনি আরও জানান, এ বছর জেলায় প্রায় ৯৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে।

মো. নাঈম ইসলাম/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow