ব্যবসায়ীর কান কামড়ে দিলেন বিএনপি নেতা, লাগলো চার সেলাই

নরসিংদীর পলাশে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন নামের এক বালু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মহিউদ্দিন চিশতিয়া নামের এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। পেটানোর পাশাপাশি কামড়ে তার কান জখম করা হয়। অভিযুক্ত মহিউদ্দিন চিশতিয়া ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। আহত সাখাওয়াত হোসেন গাজীপুরের কালীগঞ্জে ফিরোজ আলীর ছেলে। তিনি বর্তমানে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন। তার কানে চারটি সেলাইসহ শরীরের বেশ কিছু স্থানে জখম রয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার বাংলাদেশ জুটমিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে মঙ্গলবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভুক্তভোগী সাখাওয়াত হোসেন জানান, ঘোড়াশালের বাংলাদেশ জুটমিলের অভ্যন্তরে টিকে গ্রুপের নির্মাণাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের বালু ভরাটের কাজে তিনি সেখানে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে ড্রেজার মেশিন স্থাপন করেন। সোমবার বিকেলে ড্রেজার মেশিনের শ্রমিকদের বেতন দিয়ে ফিরছিলেন। পথে চারজন মোটরসাইকেলে করে এসে তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে বিএনপি নেতা মহিউদ্দিনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ এক ঘণ্টা আটকে রেখে মহিউদ্দিনসহ আরও ৬-৭ জন লোক কিল-ঘুসি ও চড়থাপ্পড়

ব্যবসায়ীর কান কামড়ে দিলেন বিএনপি নেতা, লাগলো চার সেলাই

নরসিংদীর পলাশে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সাখাওয়াত হোসেন নামের এক বালু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে মহিউদ্দিন চিশতিয়া নামের এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। পেটানোর পাশাপাশি কামড়ে তার কান জখম করা হয়।

অভিযুক্ত মহিউদ্দিন চিশতিয়া ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক। আহত সাখাওয়াত হোসেন গাজীপুরের কালীগঞ্জে ফিরোজ আলীর ছেলে। তিনি বর্তমানে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসাধীন। তার কানে চারটি সেলাইসহ শরীরের বেশ কিছু স্থানে জখম রয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার বাংলাদেশ জুটমিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে মঙ্গলবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ভুক্তভোগী সাখাওয়াত হোসেন জানান, ঘোড়াশালের বাংলাদেশ জুটমিলের অভ্যন্তরে টিকে গ্রুপের নির্মাণাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের বালু ভরাটের কাজে তিনি সেখানে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে ড্রেজার মেশিন স্থাপন করেন। সোমবার বিকেলে ড্রেজার মেশিনের শ্রমিকদের বেতন দিয়ে ফিরছিলেন। পথে চারজন মোটরসাইকেলে করে এসে তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে বিএনপি নেতা মহিউদ্দিনের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ এক ঘণ্টা আটকে রেখে মহিউদ্দিনসহ আরও ৬-৭ জন লোক কিল-ঘুসি ও চড়থাপ্পড় মারতে থাকেন।

একপর্যায়ে ওই বিএনপি নেতা কেন তাকে না জানিয়ে সেখানে ড্রেজার মেশিন বসানো হলো বলেই কানে কামড় দিয়ে রক্তাক্ত করেন। পরে তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে ড্রেজার মেশিন সরিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার ভয় দেখিয়ে ছেড়ে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন বলেন, ‌‘আমার একটি প্রোগ্রাম রয়েছে। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।’

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি শাহেদ আল-মামুন বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সঞ্জিত সাহা/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow