ব্রাজিলের কাছে হেরে মাথা নত করে ক্ষমা চাইল জাপান
২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ (শেষ বত্রিশ)-এর ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে স্তব্ধ হয়ে গেছে জাপানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন। ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ম্যাচ হারলেও, রেফারির শেষ বাঁশির পর হিউস্টনের মাঠে যে আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হলো, তা পুরো ফুটবল বিশ্বের মন জয় করে নিয়েছে।
ম্যাচ শেষ হতেই মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে গ্যালারিতে থাকা হাজারো জাপানি সমর্থকের উদ্দেশে মাথা নত করে (ঐতিহ্যবাহী কায়দায় কুর্নিশ করে) ক্ষমা চাইলেন কোচ হাজিমে মোরিয়াসু এবং তার শিষ্যরা। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য জাপানের রূপকথার মতোই ছিল।
প্রথমার্ধে কাইশু সানোর দুর্দান্ত গোলে লিড নিয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছিল 'ব্লু সামুরাই'রা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরোর দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে ব্রাজিল।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে (যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে)গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির নাটকীয় গোল জাপানিদের হৃদয় ভেঙে দেয়।
ম্যাচ শেষের চূড়ান্ত বাঁশি বাজার সাথে সাথেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জাপানি ফুটবলাররা।
তবে মাঠ ছাড়ার আগে কোচ হাজিমে মোরিয়াসু পিচের মাঝখানে সব খ
২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ (শেষ বত্রিশ)-এর ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে হেরে স্তব্ধ হয়ে গেছে জাপানের বিশ্বকাপ স্বপ্ন। ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ম্যাচ হারলেও, রেফারির শেষ বাঁশির পর হিউস্টনের মাঠে যে আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হলো, তা পুরো ফুটবল বিশ্বের মন জয় করে নিয়েছে।
ম্যাচ শেষ হতেই মাঠের মাঝখানে দাঁড়িয়ে গ্যালারিতে থাকা হাজারো জাপানি সমর্থকের উদ্দেশে মাথা নত করে (ঐতিহ্যবাহী কায়দায় কুর্নিশ করে) ক্ষমা চাইলেন কোচ হাজিমে মোরিয়াসু এবং তার শিষ্যরা। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য জাপানের রূপকথার মতোই ছিল।
প্রথমার্ধে কাইশু সানোর দুর্দান্ত গোলে লিড নিয়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছিল 'ব্লু সামুরাই'রা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরোর দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে ব্রাজিল।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে (যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে)গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির নাটকীয় গোল জাপানিদের হৃদয় ভেঙে দেয়।
ম্যাচ শেষের চূড়ান্ত বাঁশি বাজার সাথে সাথেই কান্নায় ভেঙে পড়েন জাপানি ফুটবলাররা।
তবে মাঠ ছাড়ার আগে কোচ হাজিমে মোরিয়াসু পিচের মাঝখানে সব খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করেন এবং আবেগঘন এক বার্তা দেন। এরপর পুরো দলকে সাথে নিয়ে তিনি এগিয়ে যান দূর-দূরান্ত থেকে আসা জাপানি সমর্থকদের গ্যালারির সামনে। অশ্রুসিক্ত চোখে কোচ মোরিয়াসু এবং প্রতিটি খেলোয়াড় গভীর শ্রদ্ধায় গ্যালারির দিকে মাথা নত করে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন, টুর্নামেন্টজুড়ে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং শেষ ষোলোতে উঠতে না পারার জন্য ক্ষমা চান।
প্রিয় দলের এমন বিদায়ের পরও গ্যালারিতে থাকা জাপানি সমর্থকেরা হাততালির জোয়ারে ভাসিয়ে দেন খেলোয়াড়দের। ফুটবল বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তির বিপক্ষে যেভাবে বুক চিতিয়ে লড়েছে জাপান, তার জন্য ফুটবলপ্রেমীদের কুর্নিশ কুড়িয়েছেন ওশিমেন-সুজুকিরা।
এই হারের ফলে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জাপানের প্রথম জয়ের অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হলো। তবে পরাজয়ের মূহূর্তেও মোরিয়াসু এবং তার দলের এই বিনম্রতা ও সৌজন্যতাবোধ আরও একবার প্রমাণ করল, ফুটবল শুধু মাঠের জয়-পরাজয়ের চেয়েও অনেক বড় কিছু।