বয়স্ক ভাতার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে
বরগুনা আমতলীর ৭নং আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে জেলে কার্ড ও বয়স্ক ভাতা দেওয়ার কথা বলে এলাকার সাধারণ জনগণের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে সোহাগ নামে এক ব্যক্তি আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমতলী উপজেলাধীন ৭নং আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা. নুরজাহান বেগম সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জেলে কার্ড ও বয়স্ক ভাতার নাম দেওয়ার কথা বলে ১ থেকে ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এলাকাবাসী জেলে ও বয়স্ক ভাতা কার্ড না পাওয়ায় ইউপি সদস্য নুরজাহান বেগমের কাছে গেলে তিনি আজ-কাল বলে ঘুরাতে থাকে। বিষয়টি জানাজানি হলে সাংবাদিক ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।
১নং ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী চাননবরু বলেন, ‘আমার ছেলে মারা গেছে তিন সন্তান রেখে, আমার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নিয়েছে চাউলে নাম দেবে। কিন্তু আমি চাউল পাই নাই।’
মানিক তালুকদার নামে আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘চাউল দেওয়ার কথা কইয়া টাহা নেছে, চাউলও পাই নাই, টাহাও পাইনাই।’
এ ব
বরগুনা আমতলীর ৭নং আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে জেলে কার্ড ও বয়স্ক ভাতা দেওয়ার কথা বলে এলাকার সাধারণ জনগণের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে সোহাগ নামে এক ব্যক্তি আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আমতলী উপজেলাধীন ৭নং আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা. নুরজাহান বেগম সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জেলে কার্ড ও বয়স্ক ভাতার নাম দেওয়ার কথা বলে ১ থেকে ২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এলাকাবাসী জেলে ও বয়স্ক ভাতা কার্ড না পাওয়ায় ইউপি সদস্য নুরজাহান বেগমের কাছে গেলে তিনি আজ-কাল বলে ঘুরাতে থাকে। বিষয়টি জানাজানি হলে সাংবাদিক ভুক্তভোগীদের সাক্ষাৎকার নিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।
১নং ওয়ার্ডের ভুক্তভোগী চাননবরু বলেন, ‘আমার ছেলে মারা গেছে তিন সন্তান রেখে, আমার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নিয়েছে চাউলে নাম দেবে। কিন্তু আমি চাউল পাই নাই।’
মানিক তালুকদার নামে আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘চাউল দেওয়ার কথা কইয়া টাহা নেছে, চাউলও পাই নাই, টাহাও পাইনাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারী ইউপি সদস্য নুরজাহান বলেন, আমি কিছুই জানি না, শুনলাম আপনার কাছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিলের পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।