ভাইরাল মাদক মামলার নারী আসামি সম্পর্কে যা জানা গেল
মাদকবিরোধী অভিযানে বগুড়া সদরে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তবে অভিযানের পর স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা ওই নারীর একটি ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ছবিতে প্রদর্শিত নারীর সৌন্দর্য নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা মন্তব্য ও আলোচনা দেখা যায়। অনেকেই ছবিটি শেয়ার করায় অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৭ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বগুড়া শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিশিন্দারা মণ্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছালেহা আক্তার ও তার স্বামী মো. আব্দুস সোবাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানে ছালেহা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হলেও তার স্বামী মো. আব্দুস সোবাহান (৪৫) পালিয়ে যান। সোমবার (৮ জুন) রাতে বগুড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিললুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে সরবরাহ করা মূল ছবিতে ওই নারীর মুখমণ্ডল ব্লার করা ছিল। ফলে তার পর
মাদকবিরোধী অভিযানে বগুড়া সদরে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তবে অভিযানের পর স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা ওই নারীর একটি ছবি ব্যবহার করে সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ছবিতে প্রদর্শিত নারীর সৌন্দর্য নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা মন্তব্য ও আলোচনা দেখা যায়। অনেকেই ছবিটি শেয়ার করায় অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৭ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বগুড়া শহরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের নিশিন্দারা মণ্ডলপাড়া এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছালেহা আক্তার ও তার স্বামী মো. আব্দুস সোবাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে ছালেহা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হলেও তার স্বামী মো. আব্দুস সোবাহান (৪৫) পালিয়ে যান।
সোমবার (৮ জুন) রাতে বগুড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিললুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমে সরবরাহ করা মূল ছবিতে ওই নারীর মুখমণ্ডল ব্লার করা ছিল। ফলে তার পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না।
তিনি বলেন, “আমরা যে ছবি দিয়েছি সেখানে পরিচয় গোপন রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। কেউ যদি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন ছবি তৈরি করে প্রকাশ করে থাকে, তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।”
ডিএনসির দাবি, সংস্থার পক্ষ থেকে সরবরাহ করা ছবিতে গ্রেপ্তার নারীর পরিচয় গোপন রাখার সব ধরনের সতর্কতা অনুসরণ করা হয়েছিল।
What's Your Reaction?