ভারতের সঙ্গে ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ করছে ইইউ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির প্রভাবে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটি বড় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দিকে এগোচ্ছে। একে উভয় পক্ষই ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ বলে উল্লেখ করছে। আগামী সোমবার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা প্রধান অতিথি হিসেবে দিল্লিতে থাকবেন। আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে। বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক অচলাবস্থা এবং ট্রাম্পের উচ্চ শুল্কের কারণে ভারত বিকল্প অংশীদার খুঁজছে। একইভাবে ইউরোপও চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ভারতের দিকে ঝুঁকছে। আগামী ২৭ জানুয়ারি দুই পক্ষের শীর্ষ বৈঠকে চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে। এটি হলে গত দুই দশকের আলোচনার অবসান ঘটবে। এই চুক্তি কার্যকর হলে এটি হবে চার বছরে ভারতের নবম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। অন্যদিকে ইইউ এর আগেও জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অর্থনৈতিক দিকের মতোই বড়। এতে ভারতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব কমবে এবং ইউরোপের জন্য

ভারতের সঙ্গে ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ করছে ইইউ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির প্রভাবে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) একটি বড় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির দিকে এগোচ্ছে। একে উভয় পক্ষই ‘সবচেয়ে বড় চুক্তি’ বলে উল্লেখ করছে।

আগামী সোমবার ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা প্রধান অতিথি হিসেবে দিল্লিতে থাকবেন। আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হবে।

বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক অচলাবস্থা এবং ট্রাম্পের উচ্চ শুল্কের কারণে ভারত বিকল্প অংশীদার খুঁজছে। একইভাবে ইউরোপও চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে ভারতের দিকে ঝুঁকছে।

আগামী ২৭ জানুয়ারি দুই পক্ষের শীর্ষ বৈঠকে চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে। এটি হলে গত দুই দশকের আলোচনার অবসান ঘটবে।

এই চুক্তি কার্যকর হলে এটি হবে চার বছরে ভারতের নবম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। অন্যদিকে ইইউ এর আগেও জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে এমন চুক্তি করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব অর্থনৈতিক দিকের মতোই বড়। এতে ভারতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব কমবে এবং ইউরোপের জন্য নির্ভরযোগ্য বাজার তৈরি হবে। তবে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। যেমন- মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, কার্বন কর ও কৃষিপণ্য। এসব বিষয় ধাপে ধাপে সমাধানের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদে এই চুক্তি উভয় পক্ষের জন্যই লাভজনক হবে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে নতুন ভারসাম্য তৈরি করবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow