ভারত পানি বন্ধ করলে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে পাকিস্তান : ইসহাক দার

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সতর্ক করে বলেছেন, পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার যে কোনো প্রচেষ্টা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দেশটি আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অধিকার সংরক্ষণ করবে। মঙ্গলবার (০৬  মে) কূটনীতিক ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি বলেন, সেনাপ্রধান ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পরিচালিত সামরিক অভিযানে ভারতের সামরিক স্থাপনাগুলোতে নিখুঁত ও পরিমিত আঘাত হানা হয়েছে, যার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ সুস্পষ্টভাবে নথিভুক্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সমন্বিত শান্তি উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানকে সমর্থন দেওয়া দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের এই সম্পৃক্ততা কূটনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রসঙ্গে ইসহাক দার বলেন, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামা হামলার পর

ভারত পানি বন্ধ করলে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে পাকিস্তান : ইসহাক দার
পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সতর্ক করে বলেছেন, পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার যে কোনো প্রচেষ্টা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দেশটি আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষার অধিকার সংরক্ষণ করবে। মঙ্গলবার (০৬  মে) কূটনীতিক ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি বলেন, সেনাপ্রধান ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের নেতৃত্বে পরিচালিত সামরিক অভিযানে ভারতের সামরিক স্থাপনাগুলোতে নিখুঁত ও পরিমিত আঘাত হানা হয়েছে, যার ফলে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির প্রমাণ সুস্পষ্টভাবে নথিভুক্ত রয়েছে। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সমন্বিত শান্তি উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানকে সমর্থন দেওয়া দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের এই সম্পৃক্ততা কূটনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রসঙ্গে ইসহাক দার বলেন, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামা হামলার পর ভারতের শক্তি প্রয়োগ ছিল বেআইনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, গত বছরের এপ্রিলের আগে থেকেই সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে ভারতের হুমকি পাকিস্তান পর্যবেক্ষণ করে আসছিল। এ ধরনের আগ্রাসনের জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে। ২০২৫ সালের অপারেশন মারকায়ে হকের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।  তিনি অভিযোগ করেন, ভারতের চরমপন্থি মতাদর্শনির্ভর অবস্থান আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘের দায়িত্বশীল সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান বৈশ্বিক শান্তি উদ্যোগে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য টেকসই শান্তি অপরিহার্য। তবে কাশ্মীর ইস্যু এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। তিনি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় পাকিস্তানের গঠনমূলক ভূমিকা, চীনের সঙ্গে সিপেকের মাধ্যমে অংশীদারিত্ব জোরদার এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চলমান সম্পৃক্ততার কথাও তুলে ধরেন। মধ্যপ্রাচ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে আল-কুদস আল-শরিফ বা জেরুজালেমের প্রতি পাকিস্তানের সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া, এপ্রিলের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের কূটনৈতিক ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। কয়েক দশকের উত্তেজনার পর দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনতে ইসলামাবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলেও জানান ইসহাক দার। সূত্র : হাম নিউজ 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow