ভারী মাসকারা নয়, চোখের সাজে এবার থাকুক ‘ঘোস্ট ল্যাশ’
ভারী আই-মেকআপের দিন যেন ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে। কৃত্রিম আইল্যাশ, ঘন কালো মাসকারা বা অতিরিক্ত নাটকীয় চোখের সাজের বদলে এখন সৌন্দর্যপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ‘ঘোস্ট ল্যাশ’। এই নতুন বিউটি ট্রেন্ডের মূল দর্শন হলো-চোখের পাপড়ির স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা, অতিরিক্ত প্রসাধনী দিয়ে ঢেকে দেওয়া নয়। বিশ্বজুড়ে ‘নো-মেকআপ মেকআপ’ লুকের জনপ্রিয়তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ‘ঘোস্ট ল্যাশ’ও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। যারা হালকা, পরিপাটি এবং স্বাভাবিক সাজ পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ঘোস্ট ল্যাশ কী ‘ঘোস্ট ল্যাশ’ এমন একটি আই-মেকআপ স্টাইল, যেখানে চোখের পাপড়িতে ভারী কালো মাসকারা বা কৃত্রিম আইল্যাশ ব্যবহার করা হয় না। বরং পাপড়িকে তার স্বাভাবিক রূপেই রাখা হয়। প্রয়োজনে শুধু ক্লিয়ার ল্যাশ জেল বা খুব হালকা ব্রাউন মাসকারা ব্যবহার করে পাপড়ির প্রাকৃতিক কার্ল ও আকৃতি ধরে রাখা হয়। এই লুকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, দূর থেকে বোঝাই যায় না যে চোখে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে পুরো মুখে আসে কোমল, সতেজ ও স্বাভাবিক একটি সৌন্দর্য। ছবি: মার্কিন সুপারমডেল জিজি হাদিদে
ভারী আই-মেকআপের দিন যেন ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে। কৃত্রিম আইল্যাশ, ঘন কালো মাসকারা বা অতিরিক্ত নাটকীয় চোখের সাজের বদলে এখন সৌন্দর্যপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ‘ঘোস্ট ল্যাশ’। এই নতুন বিউটি ট্রেন্ডের মূল দর্শন হলো-চোখের পাপড়ির স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলা, অতিরিক্ত প্রসাধনী দিয়ে ঢেকে দেওয়া নয়।
বিশ্বজুড়ে ‘নো-মেকআপ মেকআপ’ লুকের জনপ্রিয়তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ‘ঘোস্ট ল্যাশ’ও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। যারা হালকা, পরিপাটি এবং স্বাভাবিক সাজ পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
ঘোস্ট ল্যাশ কী
‘ঘোস্ট ল্যাশ’ এমন একটি আই-মেকআপ স্টাইল, যেখানে চোখের পাপড়িতে ভারী কালো মাসকারা বা কৃত্রিম আইল্যাশ ব্যবহার করা হয় না। বরং পাপড়িকে তার স্বাভাবিক রূপেই রাখা হয়। প্রয়োজনে শুধু ক্লিয়ার ল্যাশ জেল বা খুব হালকা ব্রাউন মাসকারা ব্যবহার করে পাপড়ির প্রাকৃতিক কার্ল ও আকৃতি ধরে রাখা হয়। এই লুকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, দূর থেকে বোঝাই যায় না যে চোখে কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে পুরো মুখে আসে কোমল, সতেজ ও স্বাভাবিক একটি সৌন্দর্য।
ছবি: মার্কিন সুপারমডেল জিজি হাদিদের ইনস্টাগ্রাম থেকে
যেসব কারণে জনপ্রিয় হচ্ছে ট্রেন্ড
সাম্প্রতিক সময়ে সৌন্দর্যচর্চায় স্বাভাবিক লুকের প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেক বেড়েছে। অনেকেই এখন এমন মেকআপ চান, যা মুখের নিজস্ব সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তুলবে, কিন্তু অতিরিক্ত সাজের ছাপ থাকবে না।
এছাড়া প্রতিদিন ভারী মাসকারা ব্যবহার করলে চোখের পাপড়ি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। মেকআপ পরিষ্কার করতে গিয়ে অনেক সময় পাপড়ি ঝরে পড়ার সমস্যাও দেখা দেয়। কৃত্রিম আইল্যাশ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে প্রাকৃতিক পাপড়িরও ক্ষতি হতে পারে। এসব কারণেই অনেকে এখন হালকা ও আরামদায়ক বিকল্প হিসেবে ‘ঘোস্ট ল্যাশ’ বেছে নিচ্ছেন।
কম প্রসাধনেই ফুটে উঠতে পারে চোখের স্বাভাবিক সৌন্দর্য, ছবি: এআই
যেভাবে পাবেন এই লুক
প্রথমে মাইসেলার ওয়াটার দিয়ে চোখের পাতা ভালোভাবে পরিষ্কার করুন, যাতে কোনো তেল বা পুরোনো মেকআপ না থাকে। এরপর একটি আইল্যাশ কার্লারের সাহায্যে কয়েক সেকেন্ড পাপড়ি আলতোভাবে কার্ল করুন।
এরপর চাইলে ক্লিয়ার ল্যাশ জেল ব্যবহার করুন, যা পাপড়ির কার্ল দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করবে। যদি সামান্য রং চান, তাহলে কালো মাসকারার পরিবর্তে হালকা ব্রাউন মাসকারা ব্যবহার করতে পারেন। সবশেষে একটি পরিষ্কার স্পুলি ব্রাশ দিয়ে পাপড়িগুলো আলাদা করে আঁচড়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে ন্যাচারাল ‘ঘোস্ট ল্যাশ’ লুক।
পাপড়ির যত্নও জরুরি
শুধু সাজলেই হবে না, চোখের পাপড়ির যত্ন নেওয়াও প্রয়োজন। রাতে ঘুমানোর আগে ক্যাস্টর অয়েল বা ল্যাশ সিরাম ব্যবহার করলে পাপড়ি আর্দ্র থাকে এবং ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি কমে। সকালে পরিষ্কার ব্রাশ দিয়ে হালকা করে আঁচড়ে নিলে পাপড়ি আরও গোছানো দেখায়।
কম সাজেও আত্মবিশ্বাস
একসময় মনে করা হতো, ঘন মাসকারা ছাড়া আই-মেকআপ অসম্পূর্ণ। কিন্তু এখন সেই ধারণা বদলেছে। বর্তমানে স্বাভাবিক সৌন্দর্যকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব ধরনের সাজে ভারী চোখের পাপড়ি প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় একেবারে হালকা আই-মেকআপই মুখে এনে দেয় সবচেয়ে পরিশীলিত ও অভিজাত লুক।
যারা প্রতিদিন অফিস, বিশ্ববিদ্যালয় বা দৈনন্দিন কাজে হালকা কিন্তু স্টাইলিশ সাজ রাখতে চাইলে ‘ঘোস্ট ল্যাশ’ হতে পারে আদর্শ পছন্দ। কারণ এই ট্রেন্ড প্রমাণ করে, সৌন্দর্য কখনো কখনো স্বাভাবিক থাকাতেই সবচেয়ে আকর্ষণীয় আবেদন।
সূত্র: ভোগ, রিয়েল সিম্পল ও অন্যান্য
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?

