ভাড়া বাসা থেকে স্বামীর মরদেহ উদ্ধার, ‘টিকটকার’ আঁখি গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের রামুতে আলোচিত বেলাল উদ্দিন জিহাদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের স্ত্রী টিকটকার তাহেরা বেগম আঁখিকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে উখিয়ার কোটবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আঁখি উখিয়া উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দরিয়ার দিঘি এলাকার মোহাম্মদ মুসার মেয়ে। তিনি স্যোশাল মিডিয়ায় ‘টিকটকার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, গত ৪ মার্চ রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরংলোয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে বেলাল উদ্দিন জিহাদের গলাকাটা ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত বেলাল রাজারকুল ইউনিয়নের হাজীপাড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন টমটম চালক ছিলেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তার স্ত্রী আঁখি আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বাদী হয়ে রামু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে র‍্যাব-১৫ ছায়া তদন্ত শুরু করে। র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আঁখিকে গ্রেপ্তার করতে করা হয়।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আঁখি স্বীকার করেছেন, পারিবারিক কলহের জে

ভাড়া বাসা থেকে স্বামীর মরদেহ উদ্ধার, ‘টিকটকার’ আঁখি গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের রামুতে আলোচিত বেলাল উদ্দিন জিহাদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের স্ত্রী টিকটকার তাহেরা বেগম আঁখিকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে উখিয়ার কোটবাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তার আঁখি উখিয়া উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের দরিয়ার দিঘি এলাকার মোহাম্মদ মুসার মেয়ে। তিনি স্যোশাল মিডিয়ায় ‘টিকটকার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত ৪ মার্চ রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পূর্ব মেরংলোয়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে বেলাল উদ্দিন জিহাদের গলাকাটা ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত বেলাল রাজারকুল ইউনিয়নের হাজীপাড়ার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন টমটম চালক ছিলেন। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তার স্ত্রী আঁখি আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার বাদী হয়ে রামু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে র‍্যাব-১৫ ছায়া তদন্ত শুরু করে।

র‍্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ ম ফারুক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আঁখিকে গ্রেপ্তার করতে করা হয়। 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আঁখি স্বীকার করেছেন, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আঁখির টিকটক আসক্তি এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দম্পতির মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।

র‍্যাব আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ঘাতক আঁখিকে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছিল। গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow