ভিজিএফের চাল না দেওয়ায় ইউপি সদস্যের ওপর জামায়াতের হামলা

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় লোকজন ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এসময় ইউপি সদস্য সুজাউদ্দীনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২০ মে) ষোল টাকা ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সরকারের দেওয়া ১০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছিল। এসময় কয়েকজন জামায়াত নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে চালের ভাগ দাবি করেন। দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা ইউপি সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা জানান, তালিকাভুক্ত কোনো দুস্থ ব্যক্তি থাকলে যাচাই-বাছাই করে চাল দেওয়ার কথা বলা হলেও তারা কোনো তালিকা না দিয়েই জোরপূর্বক চাল নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আফরোজা খাতুন বলেন, চাল বিতরণের সময় হঠাৎ জামায়াত নেতাকর্মীরা এসে বিতরণ কার্যক্রমে বাধা দেন এবং সমান

ভিজিএফের চাল না দেওয়ায় ইউপি সদস্যের ওপর জামায়াতের হামলা
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিএফের চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় লোকজন ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এসময় ইউপি সদস্য সুজাউদ্দীনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২০ মে) ষোল টাকা ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সরকারের দেওয়া ১০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছিল। এসময় কয়েকজন জামায়াত নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হয়ে চালের ভাগ দাবি করেন। দাবি পূরণ না হওয়ায় তারা ইউপি সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। স্থানীয়রা জানান, তালিকাভুক্ত কোনো দুস্থ ব্যক্তি থাকলে যাচাই-বাছাই করে চাল দেওয়ার কথা বলা হলেও তারা কোনো তালিকা না দিয়েই জোরপূর্বক চাল নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় লোকজন প্রতিরোধ গড়ে তুললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আফরোজা খাতুন বলেন, চাল বিতরণের সময় হঠাৎ জামায়াত নেতাকর্মীরা এসে বিতরণ কার্যক্রমে বাধা দেন এবং সমান ভাগ দাবি করেন। তারা চাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে ইউপি সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দেন। এসময় সুজাউদ্দিন মেম্বারকে মারধর করা হয়। তিনি আরও জানান, বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানো হলে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পাঠান। পরে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর গাংনী উপজেলা আমির ডা. রবিউল ইসলামের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, গরিব ও দুস্থদের মাঝে সুষ্ঠুভাবে চাল বিতরণ নিশ্চিত করতে কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে গিয়েছিলেন। এসময় প্যানেল চেয়ারম্যানের স্বামী ও সন্তান জামায়াত কর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং লাঠিসোঁটা আনার প্রস্তুতি নেন। তিনি অভিযোগ করেন, চাল বিতরণের সময় প্যানেল চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন না। তার স্বামী আবুল হোসেন পরিষদের কোনো সদস্য না হয়েও সেখানে চাল বিতরণ করছিলেন। এসময় জামায়াতের নেতাকর্মীদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow