ভিত্তিহীন ও কল্পিত সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের 

দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন ও কল্পিত’ দাবি করে প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ।  বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এতে প্রকাশিত তালিকাটি অত্যন্ত এলোমেলো, অপরিকল্পিত, ভুলে পরিপূর্ণ এবং সম্পূর্ণ মনগড়া। প্রতিবেদনটি বিভিন্ন উৎস থেকে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য জোড়াতালি দিয়ে এবং পূর্বনির্ধারিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে ও ত্রুটিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করার কারণে এতে অসংখ্য গুরুতর তথ্যগত ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কলেজের অধ্যক্ষ কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারেন? প্রকাশিত স্ক্রিনশটগুলোই স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তালিকাটি অত্যন্ত অসতর্কতা ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। ফলে এই প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন

ভিত্তিহীন ও কল্পিত সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের 

দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন ও কল্পিত’ দাবি করে প্রতিবাদলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। 

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এতে প্রকাশিত তালিকাটি অত্যন্ত এলোমেলো, অপরিকল্পিত, ভুলে পরিপূর্ণ এবং সম্পূর্ণ মনগড়া। প্রতিবেদনটি বিভিন্ন উৎস থেকে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য জোড়াতালি দিয়ে এবং পূর্বনির্ধারিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। ইচ্ছাকৃতভাবে ও ত্রুটিপূর্ণভাবে প্রস্তুত করার কারণে এতে অসংখ্য গুরুতর তথ্যগত ভুল পরিলক্ষিত হয়েছে।

উদাহরণস্বরূপ, একটি কলেজের অধ্যক্ষ কীভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারেন? প্রকাশিত স্ক্রিনশটগুলোই স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে তালিকাটি অত্যন্ত অসতর্কতা ও ভুল তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। ফলে এই প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং এর অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রকৃতপক্ষে, এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য হলো শিক্ষক সমাজকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা এবং তাদের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করা। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, প্রতিবেদনের তথ্যের সত্যতা যাচাই বা নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা না করেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত কমিটি গঠন করছে।

বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ ও যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের তদন্ত কমিটি গঠনের কোনো নৈতিক বা আইনগত অধিকার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নেই। একটি মনগড়া, অবিশ্বস্ত ও ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা তাদের মৌলিক অধিকার, ন্যায়বিচারের নীতি এবং আইনি সুরক্ষার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow