মদকাণ্ডে আটকের খবরে তোলপাড়! মুখ খুললেন মেহজাবীন

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল বিদেশি মদসহ আটক এবং কাস্টমসের ‘রহস্যজনক’ ছাড় পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, তাঁর স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব ও পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্তের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়ে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর নেটদুনিয়ায় শুরু হয় তোলপাড়। তবে অভিযোগ নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও আজ রোববার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন দাবি করেছেন, ক্যারিয়ারের এই সময়ে তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে বিএস-২১৮ ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন মেহজাবীন, আদনান আল রাজীব ও শঙ্খ দাসগুপ্ত। বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তল্লাশিতে তাদের লাগেজ থেকে ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বিমানবন্দরে অ্যালকোহল বহন সম্পূর্ণ বেআইনি হলেও, সে সময় মামলা না করেই রহস্যজনক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এমনকি মেহজাবীনের কাছ থেকে কোনো মুচলেকাও নেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, আটকের পর জব্দ করা পণ্যের র

মদকাণ্ডে আটকের খবরে তোলপাড়! মুখ খুললেন মেহজাবীন

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল বিদেশি মদসহ আটক এবং কাস্টমসের ‘রহস্যজনক’ ছাড় পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, তাঁর স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব ও পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্তের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়ে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর নেটদুনিয়ায় শুরু হয় তোলপাড়। তবে অভিযোগ নিয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও আজ রোববার সকালে এক ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন দাবি করেছেন, ক্যারিয়ারের এই সময়ে তাঁকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে বিএস-২১৮ ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন মেহজাবীন, আদনান আল রাজীব ও শঙ্খ দাসগুপ্ত। বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তল্লাশিতে তাদের লাগেজ থেকে ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বিমানবন্দরে অ্যালকোহল বহন সম্পূর্ণ বেআইনি হলেও, সে সময় মামলা না করেই রহস্যজনক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এমনকি মেহজাবীনের কাছ থেকে কোনো মুচলেকাও নেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, আটকের পর জব্দ করা পণ্যের রসিদসহ কাস্টমস কর্মকর্তা মো. মোতাকাব্বির আলী নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট শাখায় তা হস্তান্তর করেছিলেন। এ ছাড়া এই তিনজনকে প্রটোকল দিতে আসা দুই এভিয়েশন সিকিউরিটি কর্মকর্তাও মুচলেকা দিয়ে জানান, উদ্ধার হওয়া মদের বিষয়ে তারা কিছুই জানতেন না। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে মেহজাবীন ও রাজীবের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সাড়া দেননি। পরে একটি অনুষ্ঠানে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে মেহজাবীন ব্যক্তিগত বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।

এদিকে, মদকাণ্ডের এই সংবাদ প্রকাশের পর আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ১৯ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ একটি পোস্ট দেন মেহজাবীন চৌধুরী। সেখানে মদের বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না করলেও তিনি লেখেন, “কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

শোবিজ অঙ্গনে নারীদের সহজেই টার্গেট করা হচ্ছে—এমন আক্ষেপ প্রকাশ করে এ অভিনেত্রী আরও লেখেন, “সাম্প্রতিক সময়ে এআই দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণেও আমার মতো অনেক আর্টিস্টকে প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে—যা একেবারেই কাম্য নয়। নারীরাই আজকাল সহজ টার্গেট হচ্ছে, এর পেছনে কে বা কারা আছে তা আমার জানা নেই। আমি শুধু আমার কাজেই ফোকাস করতে চাই, আমি চাই আমার কাজ নিয়েই আলোচনা হোক।” সবশেষে ভক্তদের পাশে থাকার আহ্বান জানান এই তারকা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow