মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়ায় ফোর্স প্রদর্শন

ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দিনব্যাপী আকাশভিত্তিক সামরিক মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সামরিক তৎপরতাকে শক্তিশালী একটি “আর্মাডা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যার নেতৃত্বে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের বিমান শাখা (এয়ার ফোর্সেস সেন্ট্রাল) জানিয়েছে, মহড়ার লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত যুদ্ধবিমান মোতায়েন, বিস্তার এবং আক্রমণ পরিচালনার সক্ষমতা প্রদর্শন করা। পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়াও এই মহড়ার উদ্দেশ্য। তবে নির্দিষ্ট সময়সূচি, স্থান বা এতে অংশ নেয়া সামরিক সরঞ্জামের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এই অনুশীলনের মাধ্যমে মূলত ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ বৃদ্ধি এবং শক্তি প্রদর্শনের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এই বিমানবাহী রণতরীতে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান এবং প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক রয়েছে। বহরের

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়ায় ফোর্স প্রদর্শন

ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দিনব্যাপী আকাশভিত্তিক সামরিক মহড়া চালানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সামরিক তৎপরতাকে শক্তিশালী একটি “আর্মাডা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যার নেতৃত্বে রয়েছে পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের বিমান শাখা (এয়ার ফোর্সেস সেন্ট্রাল) জানিয়েছে, মহড়ার লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত যুদ্ধবিমান মোতায়েন, বিস্তার এবং আক্রমণ পরিচালনার সক্ষমতা প্রদর্শন করা। পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়াও এই মহড়ার উদ্দেশ্য। তবে নির্দিষ্ট সময়সূচি, স্থান বা এতে অংশ নেয়া সামরিক সরঞ্জামের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অনুশীলনের মাধ্যমে মূলত ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ বৃদ্ধি এবং শক্তি প্রদর্শনের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। এই বিমানবাহী রণতরীতে কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান এবং প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক রয়েছে। বহরের নিরাপত্তায় যুক্ত রয়েছে একাধিক গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, পাশাপাশি জর্ডানে এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমানও মোতায়েন করা হয়েছে।

ইরান এই পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া হিসেবে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে তীব্র সমালোচনা করেন। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানও ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসনের বিরোধিতা করার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং স্পষ্টভাবে বলেন, সৌদি আরব তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযান অনুমোদন দেবে না।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow