মশা মারা শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হবে না, ডোবার পাশে দাঁড়ালেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

মশক নিধন শিখতে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা যেতে হবে না, ডোবার পাশে দাঁড়ালেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি মশক নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিদর্শনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং পাঁচ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র সফর সম্পর্কিত প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়ে মতামত দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মশক নিধন শেখা বা দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই। দেশেই সন্ধ্যার পর যেকোনো ডোবার পাশে দুই-তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেই মশক নিধনের অনেক উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে। জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা সফরের প্রস্তাবটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সারসংক্ষেপ আকারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সফরটির অর্থায়ন করার কথা ছিল বিদেশি প্রতিষ্ঠান ভ্যালেন্ট বায়োসায়েন্সেস এলএলসি-এর। প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে অনেকেই দেশের চলমান মশক সমস্যা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন।

মশা মারা শিখতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে হবে না, ডোবার পাশে দাঁড়ালেই হবে: প্রধানমন্ত্রী

মশক নিধন শিখতে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা যেতে হবে না, ডোবার পাশে দাঁড়ালেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সম্প্রতি মশক নিধনের উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিদর্শনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং পাঁচ কর্মকর্তার যুক্তরাষ্ট্র সফর সম্পর্কিত প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়ে মতামত দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মশক নিধন শেখা বা দেখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই। দেশেই সন্ধ্যার পর যেকোনো ডোবার পাশে দুই-তিন ঘণ্টা অবস্থান করলেই মশক নিধনের অনেক উদ্ভাবনী পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা সফরের প্রস্তাবটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সারসংক্ষেপ আকারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সফরটির অর্থায়ন করার কথা ছিল বিদেশি প্রতিষ্ঠান ভ্যালেন্ট বায়োসায়েন্সেস এলএলসি-এর।

প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে অনেকেই দেশের চলমান মশক সমস্যা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow