মাথা গোঁজার ঠাঁই মিলল অসহায় রিনার

নেত্রকোনার বারহাট্টায় অসহায় বৃদ্ধা রিনা বেগমের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে দুবাই প্রবাসী শফিকুল ইসলামের মানবিক উদ্যোগে নির্মিত একটি নতুন টিনশেড ঘরে। পাঁচ মাস আগে ঝড়ে তার বসতঘরটি সম্পূর্ণ ভেঙে যায়।  জানা যায়, রিনা বেগমের তিন ছেলে থাকলেও তিনজনই প্রতিবন্ধী। ফলে পরিবারের পক্ষে নতুন করে ঘর নির্মাণ করা ছিল একেবারেই অসম্ভব। ঘর ভেঙে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তিনি অন্যের বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করেন। এদিকে, অসহায় পরিবারটির দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে জাতীয় দৈনিক কালবেলায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে দুবাই প্রবাসী শফিকুল ইসলামের। পরে তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে রিনা বেগমের জন্য একটি নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। সম্প্রতি ঘরটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। রিনা বেগমের বড় ছেলে প্রতিবন্ধী নূর নবী মিয়া বলেন, আমার মায়ের ঘরটি ঝড়ে ভেঙে গিয়েছিল। এখন মা নিজের ঘরে থাকতে পারবে। আমার মা সবসময় শফিকুল ভাইয়ের জন্য দোয়া করবে। বৃদ্ধা রিনা বেগম বলেন, পাঁচ-ছয় মাস অনেক জায়গায় ঘুরেছি, উপজেলা প্রশাসনের কাছেও আবেদন করেছি। কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি। বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে ছিলাম। শফিকুল আমাকে একটি ঘর বানিয়ে দিয়

মাথা গোঁজার ঠাঁই মিলল অসহায় রিনার
নেত্রকোনার বারহাট্টায় অসহায় বৃদ্ধা রিনা বেগমের মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে দুবাই প্রবাসী শফিকুল ইসলামের মানবিক উদ্যোগে নির্মিত একটি নতুন টিনশেড ঘরে। পাঁচ মাস আগে ঝড়ে তার বসতঘরটি সম্পূর্ণ ভেঙে যায়।  জানা যায়, রিনা বেগমের তিন ছেলে থাকলেও তিনজনই প্রতিবন্ধী। ফলে পরিবারের পক্ষে নতুন করে ঘর নির্মাণ করা ছিল একেবারেই অসম্ভব। ঘর ভেঙে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তিনি অন্যের বাড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করেন। এদিকে, অসহায় পরিবারটির দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে জাতীয় দৈনিক কালবেলায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে দুবাই প্রবাসী শফিকুল ইসলামের। পরে তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে রিনা বেগমের জন্য একটি নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেন। সম্প্রতি ঘরটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। রিনা বেগমের বড় ছেলে প্রতিবন্ধী নূর নবী মিয়া বলেন, আমার মায়ের ঘরটি ঝড়ে ভেঙে গিয়েছিল। এখন মা নিজের ঘরে থাকতে পারবে। আমার মা সবসময় শফিকুল ভাইয়ের জন্য দোয়া করবে। বৃদ্ধা রিনা বেগম বলেন, পাঁচ-ছয় মাস অনেক জায়গায় ঘুরেছি, উপজেলা প্রশাসনের কাছেও আবেদন করেছি। কিন্তু কোনো সমাধান পাইনি। বাধ্য হয়ে অন্যের বাড়িতে ছিলাম। শফিকুল আমাকে একটি ঘর বানিয়ে দিয়েছে। আমি খুব খুশি। আল্লাহ যেন তাকে ভালো রাখেন। স্থানীয়রা জানান, সমাজের বিত্তবান ও প্রবাসীদের এমন মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনন্য দৃষ্টান্ত। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের অন্যদেরও মানবসেবায় উদ্বুদ্ধ করবে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow