মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন পুলিশ কর্মকর্তা
কক্সবাজারের চকরিয়ার হারবাং বাসস্টেশন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ স্ট্রোক করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া পুলিশ কর্মকর্তা হলেন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুপন কান্তি দে (৪৫)। পুলিশ সূএে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তি তে চিন্হিত মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করতে অভিযানে যান হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম। অভিযান শেষে হারবাং বাস ষ্টেশনে অসুস্থতা অনুভব করলে এএসআই রুপন কান্তি দে কে দ্রুত বরইতলী নতুন রাস্তার মাথা মা ও শিশু হাসপাতালে এবং পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ জয়নুল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডাঃ জয়নুল আবেদীন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রুপন কান্তি দে এর নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ী জুনাইদ (৪০) কে আটক করে পুলিশ। তাকে ধরে নিয়ে আসার সময় হঠাৎ এএসআই রুপন কান্তি দে ধাম করে মাটিতে লুট
কক্সবাজারের চকরিয়ার হারবাং বাসস্টেশন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। হঠাৎ স্ট্রোক করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া পুলিশ কর্মকর্তা হলেন হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রুপন কান্তি দে (৪৫)।
পুলিশ সূএে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তি তে চিন্হিত মাদক ব্যবসায়ী কে আটক করতে অভিযানে যান হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির একটি টিম। অভিযান শেষে হারবাং বাস ষ্টেশনে অসুস্থতা অনুভব করলে এএসআই রুপন কান্তি দে কে দ্রুত বরইতলী নতুন রাস্তার মাথা মা ও শিশু হাসপাতালে এবং পরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডাঃ জয়নুল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডাঃ জয়নুল আবেদীন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই রুপন কান্তি দে এর নেতৃত্বে মাদক ব্যবসায়ী জুনাইদ (৪০) কে আটক করে পুলিশ। তাকে ধরে নিয়ে আসার সময় হঠাৎ এএসআই রুপন কান্তি দে ধাম করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সাথে সাথে তিনি বমি এবং পেশ্রাব করে দেন এবং হাতের মুষ্টি বন্ধ করে ফেলেন। তখন তাকে দ্রুত ঘটনা স্হল থেকে স্হানীয়দের সহযোগীতায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা জানিয়েছেন আগে দুই বার স্ট্রোক করেছিলেন এএসআই রুপন কান্তি দে। এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন কালবেলাকে বলেন, জরুরী বিভাগের চিকিৎসকের দেয়া তথ্যমতে এএসআই রুপন কান্তি দে স্ট্রোক করে মারা গিয়েছেন।
এদিকে কক্সবাজার পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন হারবাং পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত পুলিশ সদস্য এএসআই রুপন কান্তি দে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে স্ট্রোক জনিত কারনে স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন।
উক্ত মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক,প্রিন্ট মিডিয়া এবং স্যোসাল মিডিয়ায় বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য প্রচারনায় সকলকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ করছি।
What's Your Reaction?