মাদক প্রতিরোধে জনসচেতনতায় জামালপুরে ম্যারাথন
জামালপুরে মাদক ও মোবাইল আসক্তির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে ম্যারাথনের আয়োজন করে রিশাদ রেজওয়ান বাবু ফুটবল একাডেমি। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম স্টেডিয়াম চত্বর থেকে ম্যারাথনের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেছ আলী মামুন। এতে প্রায় আড়াই শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন। ম্যারাথনে অংশ নেওয়া আল-আমিন বলেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের আয়োজন খুবই প্রয়োজন। খেলাধুলা ও শরীরচর্চার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ জীবনধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’ ম্যারাথনে অংশ নেওয়া নারী প্রতিযোগী শাওন বলেন, ‘নারীদের এমন আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়া ইতিবাচক। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন হলে আরও অনেক তরুণ-তরুণী অংশ নিতে উৎসাহিত হবে।’ সংসদ সদস্য শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেছ বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণ, যুবক ও শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের পথচলায় সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা মাদক। এটি দেশের জন্য বড় শঙ্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সংসদে মাদকবিরোধী আইন নতুনভাবে পাস হয়েছে। তবে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া এই সমস্যা প্রত
জামালপুরে মাদক ও মোবাইল আসক্তির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে ম্যারাথনের আয়োজন করে রিশাদ রেজওয়ান বাবু ফুটবল একাডেমি।
শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম স্টেডিয়াম চত্বর থেকে ম্যারাথনের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেছ আলী মামুন। এতে প্রায় আড়াই শতাধিক প্রতিযোগী অংশ নেন।
ম্যারাথনে অংশ নেওয়া আল-আমিন বলেন, ‘মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এ ধরনের আয়োজন খুবই প্রয়োজন। খেলাধুলা ও শরীরচর্চার মাধ্যমে তরুণদের সুস্থ জীবনধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’
ম্যারাথনে অংশ নেওয়া নারী প্রতিযোগী শাওন বলেন, ‘নারীদের এমন আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়া ইতিবাচক। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন হলে আরও অনেক তরুণ-তরুণী অংশ নিতে উৎসাহিত হবে।’
সংসদ সদস্য শাহ মোহাম্মদ ওয়ারেছ বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণ, যুবক ও শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের পথচলায় সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা মাদক। এটি দেশের জন্য বড় শঙ্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় সংসদে মাদকবিরোধী আইন নতুনভাবে পাস হয়েছে। তবে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া এই সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়।’
ম্যারাথনের আয়োজক অ্যাডভোকেট রিশাদ রেজওয়ান বলেন, ‘মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে তরুণদের দূরে রেখে স্বাস্থ্যকর জীবনধারায় উদ্বুদ্ধ করতেই এই ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’
ম্যারাথন শেষে ছেলে ও মেয়েদের পৃথক বিভাগে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ-বিন-রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হৃদয় আহম্মেদ/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?