মাদক মামলায় শার্শার জামালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

হেরোইন পাচার মামলায় শার্শার স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাল হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৪র্থ) আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জামাল হোসেন বেনাপোলের স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি কারাগারে ছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শার পশ্চিমকোটা গ্রামের কালীবাড়ি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনকভাবে জামাল হোসেনকে আটক করে তার দেহ তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে তিনটি পলিথিনের প্যাকেটে রাখা ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে শার্শা থানার এসআই মুরাদ হোসেন জামাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযোগ সন্

মাদক মামলায় শার্শার জামালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

হেরোইন পাচার মামলায় শার্শার স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাল হোসেনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন যশোরের একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (৪র্থ) আদালতের বিচারক শাহিনুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জামাল হোসেন বেনাপোলের স্বরবাংহুদা গ্রামের জামাত আলী মোড়লের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি কারাগারে ছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৮ মার্চ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শার পশ্চিমকোটা গ্রামের কালীবাড়ি মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশ। এ সময় সন্দেহজনকভাবে জামাল হোসেনকে আটক করে তার দেহ তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে তিনটি পলিথিনের প্যাকেটে রাখা ৩০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বাঁগআচড়া তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন এসআই শরীফ হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে শার্শা থানার এসআই মুরাদ হোসেন জামাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।

দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow